১। শামবাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোট গল্পটি পড়েছে। তত্কালীন সময় তথা বিট্রিশ আমল থেকে অদ্যবধি এ সার্ভিস চালু আছে। তবে মোবাইল ফোন কুরিয়ার সার্ভিস ইত্যাদির উদ্ভবের কারণে এ গুরুত্বকে হ্রাস করেছে। বাংলাদেশে ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা আরেকটি নিরাপদ ও সাশ্রয়ী গণপরিবহন সার্ভিস রয়েছে। সহজ ও আরামদায়ক সেবা হওয়ায় এর চাহিদা বেশি। এই প্রতিষ্ঠানকে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয় না। তা সত্ত্বে ও প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের সন্তুষ্টি অর্জনে সক্ষম হয়নি।
ক. ওয়াসা কী?
খ. ppp ব্যবসায় গুরুত্বপূর্ণ কেন?
গ. উদ্দীপকে পরবর্তীতে যে প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে তার গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় তা সম্পর্কে মতামত দাও।
উত্তর ক
বাংলাদেশের মেট্রোপলিটন শহর এলাকায় পানি সরবরাহ ও পয়নিষ্কাশন সুবিধা প্রদানের দায়িত্ব পালনকালী প্রতিষ্ঠানের নাম হলো ওয়াসা।
উত্তর: খ. সরকারি বেসরকারি যৌথ অর্থায়নে বা সামর্থ্যের সহযোগে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায় কার্যক্রমকে ppp বা সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বভিত্তিক ব্যবসায় বলে। বৃহদায়তন অবকাঠামো নির্মাণ, হাসপাতাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সেবা প্রতিষ্ঠান গঠনে এরূপ ব্যবসায় কার্যকর। এতে উভয়ের মধ্যে সম্পর্কে উন্নয়ন ঘটে ও সরকারের আর্থিক চাপ হ্রাস পায়। দেশের অবকাঠামো ও মৌল ব্যবসায়ের উন্নয়ন সাধিত হয়। অন্যদিকে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরাও লাভবান হয়। তাই . ppp ব্যবসায় গুরুত্বপূর্ণ।
উত্তর: ‘গ’
উদ্দীপকে যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে তা হলো বাংলাদেশ ডাক বিভাগ।
ডাক বিভাগ সংশ্লিষ্ট পণ্য ও সেবা জনগণের নিকট পৌঁছে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ ডাকঘর সরকারি মালিকানাধীন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। বৃটিশ আমলে চালু হওয়া এ বিভাগ দেশে ও বিদেশে ডাক যোগাযোগ সেবা পৌঁছে দিতে প্রধান জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ফোন, ই-মেইল, কুরিয়ার সার্ভিস ইত্যাদি চালু হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে চাপে রয়েছে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে শ্যাম বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছোট গল্প পড়েছে। বিট্রিশ আমল থেকে অদ্যাবধি এমন একটা সার্ভিসের কথা বলা হয়েছে, যা এখন মোবাইল ফোন, কুরিয়ার সার্ভিস ইত্যাদির উদ্ভবের কারণে কিছুটা গুরুত্ব হারিয়েছে। অর্থাত্ সার্ভিসটি যোগাযোগ ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট তথা বাংলাদেশ ডাক বিভাগের কথা বলা হয়েছে।
উত্তর-‘ঘ’
উদ্দীপকে পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের কথা বলা হয়েছে।
আধুনিক রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলে সাশ্রয়ী মূল্যে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন সুবিধা প্রধানের জন্য সরকারি মালিকানায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানই হলো বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর লক্ষ্য হলো দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে রেলব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নিরাপদ,, বিশ্বস্ত ও আরামদায়ক সেবা সুবিধা প্রদান করা।
উদ্দীপকের বর্ণনা মতে, বাংলাদেশ বিট্রিশ আমল থেকে চলে আসা আরেকটি নিরাপদ ও সাশ্রয়ী গণ পরিবহন সার্ভিস রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটিকে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয় না। অর্থাত্ উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি নি:সন্দেহে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
সমগ্র বিশ্বে রেল যোগাযোগ সাশ্রয়ী, আরামদায়ক, নিরাপদ ও জনপ্রিয় সার্ভিস ব্যবস্থা। বাংলাদেশের মানুষও এ সার্ভিসের প্রতি আস্থাশীল। কিন্তু এর সেবার মান নিয়ে অনেক প্রশ্ন বিদ্যমান। ১৬ কোটি লোকের এদেশে নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত আবশ্যক। তাই বাংলাদেশ রেলওয়ের গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি অত্যন্ত প্রয়োজন তা বলার অপেক্ষা রাখে
