নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলাধীন ৮ নম্বর ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পাকার মাথা (সমিতির স্কুল সংলগ্ন) থেকে আছানধনী মিয়া পাড়া দিয়ে খালিশা চাপানী ফাযিল মাদরাসা পর্যন্ত তিন কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা করুণ। বর্ষাকালে বৃষ্টি হলে কাদা কাদা হয়ে যায়। যানবাহন তো দূরের কথা, তখন হেঁটে চলাচল করাটাও বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায়। আশেপাশের সকল রাস্তা পাকা হলেও এই রাস্তা পাকা করার কোনো উদ্যোগ নেই। নির্বাচন এলে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে রাস্তাটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেলেও এই তিন কিলোমিটার রাস্তা কাঁচাই রয়ে গেছে। রাস্তার মাঝামাঝি রয়েছে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—একটি দাখিল মাদ্রাসা ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। রাস্তার সর্বপশ্চিমে রয়েছে আরো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—একটি ডিগ্রি মাদ্রাসা ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আর পূর্বে রয়েছে আরো একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই রাস্তাটিই ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের একমাত্র পথ। বর্ষাকালে তাদের কষ্টের সীমা থাকে না। নাউতারা, খালিশা চাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী—এই তিন ইউনিয়নের সবচেয়ে বড়ো বাজার চাপানী বাজার। নাউতারা ও খালিশা চাপানী ইউনিয়নের বাসিন্দাদের চাপানী বাজারে যেতে এই রাস্তাটিই একমাত্র মাধ্যম। এছাড়া ডিমলা উপজেলায় যেতে ধুমপাড়া, খসরুপাড়া, মধ্যপাড়া, চৌধুরীপাড়া, মাওলানাপাড়ার লোকজনকেও রাস্তাটি অতিক্রম করতে হয় রাস্তাটি। বাধা একটাই—রাস্তাটি দুর্দশাগ্রস্ত। বর্তমানে রাস্তাটি ভ্যান চলাচলেরও অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বর্ষাকালের বৃষ্টিতে রাস্তার মাটি ধুয়ে জমিনে পড়ে চিকন হয়ে গেছে। রাস্তাটি পাকা হলে এ এলাকার কয়েক হাজার মানুষের কষ্ট লাঘব হবে। পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোমলমতি ছাত্রছাত্রী ও এ অঞ্চলের মানুষের দিকে তাকিয়ে রাস্তাটি পাকা করার জরুরি উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. আজিনুর রহমান লিমন
আছানধনী মিয়া পাড়া, চাপানী হাট, ডিমলা, নীলফামারী
