বিশেষ প্রতিনিধি
বাংলাদেশে বেসরকারি খাতবিষয়ক এক গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে ছয়টি খাতকে অধিক গুরুত্ব দিলে আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি আয় করা সম্ভব। খাত ছয়টি হলো—কৃষি, বাণিজ্য, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, পর্যটন, হালকা শিল্প ও ওষুধ। মার্কিন উন্নয়ন সংস্থা ইউএসএআইডি বেসরকারি খাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য সম্ভাবনাময় খাত নিয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণা চালায়। গতকাল মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে এই গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়। সফররত ইউএসএআইডির উপপ্রশাসক বনি গ্লিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। রাজধানীর প্রগতি সরণিতে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম)-এর অফিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, মার্কিন দূতাবাসের উপমিশন প্রধান জোঅ্যান ওয়াগনার বক্তব্য রাখেন।
২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের জুলাইয়ের মধ্যে পরিচালিত গবেষণায় ১৬টি খাতকে প্রতিশ্রুতিশীল ও সম্ভাবনাময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সেগুলো হচ্ছে—সিরামিকস, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য, চিকিত্সা সামগ্রী, প্লাস্টিক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, চিংড়ি ও মাছ, টেলিযোগাযোগ প্রভৃতি।
বাংলাদেশে অর্থনীতি বহুমুখীকরণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গতিসঞ্চারে সহায়তার জন্য ইউএসএআইডির মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে অংশীদারিত্ব তৈরি হবে। সে লক্ষ্যেই এই গবেষণা পরিচালিত হয়।
