সেই প্রকৌশলী বললেন ‘কী লাভ এসব করে’

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ২১:৪২

নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্রকল্পে অস্বাভাবিক ব্যয় ও দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগে অনুসন্ধানে ছয় প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। গত রবিবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে তাদের তলব করা হয়। গতকাল যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তারা হলেন—গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলম, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. তারেক, তাহাজ্জুদ হোসেন, মো. মোস্তফা কামাল, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. কামারুজ্জামান, মো. আবু সাঈদ ও মো. ফজলে হক।

দুদক সূত্র জানায়, গত ১৭ অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্রকল্পে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে কমিশন তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করে। দুদক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনকে প্রধান করে গঠন করা অনুসন্ধান টিমের অপর দুই সদস্য হলেন—দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ। রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মাণাধীন গ্রিনসিটি আবাসন প্রকল্পের ২০ ও ১৬ তলা ভবনের আসবাব ও প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা ও ভবনে উত্তোলনের কাজে অস্বাভাবিক ব্যয়সহ নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধানে দুদক টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।

গতকাল সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অনুসন্ধান দল। দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্ন করতে গেলে তিনি কোনো প্রশ্নের জবাব না দিয়ে মুখ ঢেকে চলে যান। তবে দুদক কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় তিনি বিড়বিড় করে বললেন, ‘কী লাভ এসব করে ...।’

আজ ৭ নভেম্বর যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা তারা হলেন—রাজশাহী গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম জিল্লুর রহমান, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম, সুমন কুমার নন্দী, মো. শাহীন উদ্দিন ও মো. জাহিদুল করিম।