ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাতের মুত্যুর ঘটনাকে ‘হত্যাকাণ্ড’ উল্লেখ করে এর যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ছাত্ররা। গতকাল দুপুরে কলেজের সামনে মানববন্ধন করে ঐ দুর্ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করে তারা অভিযোগ করেন, নাইমুলের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত না করে দ্রুত দাফনের মধ্য দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।
এদিকে আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় কিশোর আলো কর্তৃপক্ষকে অভিযুক্ত করেছেন রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদ। তিনি বলেন, ‘আবরারের মৃত্যুর দায় অবশ্যই কিশোর আলো কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। দূরের হাসপাতালে তাকে নেওয়ার কোনো যুক্তি খুঁজে পাচ্ছি না। অনুষ্ঠানে কেউ আহত হয়েছে, বিষয়টি আমাদের জানানো হয়নি। হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে, এমনটাও জানানো হয়নি। ৫টা ৩০ মিনিটের দিকে আমাকে আনিসুল হক প্রথম মোবাইলে কল করেন, ততক্ষণে সব শেষ।’ গতকাল আবরারের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড আখ্যায়িত করে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন রেসিডেনসিয়ালের শিক্ষার্থীরা। এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে অধ্যক্ষ এসব কথা বলেন।
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের সাবেক ছাত্রদের সংগঠন ওল্ড রেমিয়ান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে কলেজের বর্তমান শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন। এতে সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, রাহাতের মৃত্যুর ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।
মানববন্ধন থেকে অভিযোগ তোলা হয়, ঘটনার পরের দিনও প্রথম আলোতে নিউজ আসল যে এটা নিছক দুর্ঘটনা; কিন্তু এটা মোটেও দুর্ঘটনা নয়, এটা একটা হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া উচিত।
গত ১ নভেম্বর বিকালে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ক্যাম্পাসে দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যু হয়।
