শেষ ষোলোয় পিএসজি, বায়ার্ন ও জুভেন্তাস

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ২১:১৯

জুভেন্তাস যোগ করার সময়ে ডগলাস কস্তার গোলে লোকোমোটিভ মস্কোকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেছে। দিনের অন্য ম্যাচে পিএসজি ক্লাব ব্রুজকে ১-০ ও বায়ার্ন মিউনিখ ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই পেয়ে গেছে দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট। তবে সুযোগটা ম্যানচেস্টার সিটির সামনেও ছিল। আটলান্টার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে সেটা হেলায় হারিয়েছে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি আসরে আগের তিন ম্যাচের একটিতেও কোনো গোল হজম করেনি পিএসজি। গত বুধবার রাতেও এ ধারা ধরে রাখে থমাস টুখেলের শিষ্যরা। নিজেদের মাঠ পার্ক দেস প্রিন্সেসে তাই দলটির জয়ের জন্যে প্রথমার্ধে মাউরো ইকার্দির করা গোলটিই যথেষ্ট হয়ে যায়। ফলে টানা চতুর্থ জয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে শেষ ষোলোয় উঠে যায় ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।

রিয়াল মাদ্রিদ গ্রুপটির অন্য ম্যাচে গ্যালাতাসারায়কে ৬-০ ব্যবধানে হারালেও এখনো শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে পারেনি। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রদ্রিগোর হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি লক্ষ্যভেদ করেন অধিনায়ক সার্জিও রামোস আর করিম বেনজেমাও। এ ম্যাচে জোড়া গোল করে টানা ১৫ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গোল করার বিরল এক কীর্তি গড়েন বেনজেমা।

একই দৃশ্য বি গ্রুপেও। টানা চতুর্থ জয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। গত বুধবার দিনের শুরুর ম্যাচে রবার্ট লেভান্ডোভস্কি আর ইভান পেরিসিচের গোলে অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় পায় তারা।

এইনট্র্যাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে হারটির পর চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন কোচ নিকো কোভাচ। এরপর অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হ্যান্সি ফ্লিকের অধীনে প্রথম ম্যাচেই জিতলো জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।

দলটির অন্তর্বর্তীকালীন কোচ বলেন, ‘দল যেভাবে খেলেছে তাতে আমি দারুণ খুশি। আমরা শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেছি, এটাই জরুরি খবর।’

গ্রুপের অন্য ম্যাচে টটেনহ্যাম বড়ো জয় পেয়েছে। রেডস্টার বেলগ্রেডকে তাদেরই মাঠে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়েছে কোচ মরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা। সন হিউং মিনের জোড়া গোল, জিওভানি লো সেলসো আর ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেনের লক্ষ্যভেদ দলটির জয়ে বড়ো ভূমিকা রাখে।

সি গ্রুপে ম্যানচেস্টার সিটি বুধবার শুরুতে এগিয়ে গিয়েও গ্রুপের তলানিতে থাকা আটলান্টার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে। গ্রুপের অন্য ম্যাচটিও ড্র দেখেছে। ডায়নামোর জাগরেবের মাঠ থেকে ৩-৩ গোলের ড্র নিয়ে ফিরেছে শাখতার দোনেত্স্ক।

সিটির ভাগ্যবরণ করতে করতেও বেঁচে গেছে জুভেন্তাস। শেষ সময়ে গোল করে দলটির ত্রাতা হয়ে এসেছেন ডগলাস কস্তা। শুরুতেই অবশ্য দলটি এগিয়ে গিয়েছিল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ফ্রি কিকে পা ছুঁইয়ে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অ্যারন রামসে। এরপর ১২ মিনিটে অ্যালেক্সেই মিরানচুকের গোলে সমতা ফেরায় সফরকারী মস্কো। এরপর ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল তখনই যোগ করার সময়ে জুভেন্তাসের জয় ও শেষ ষোলোয় খেলা নিশ্চিত করেন কস্তা।

দলের নায়কের প্রশংসায় কোচ মাউরিজিও সারি বলেন, ‘চোট কাটিয়ে সে ধীরে ধীরে সেরা ফর্মে ফিরছে। তবে মাঠের যে কোনো জায়গায় খেলার সামর্থ্য তার আছে।’