টি-২০ তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে সাত উইকেটে জয় ছিনিয়ে এনেছে টিম টাইগার্স। এই ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সম্ভাবনা নিয়ে টেলিফোন ও ই-মেইলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন পাঠকগণ। তারই নির্বাচিত অংশ আজ প্রকাশিত হলো
কঠিন আবহাওয়া ও সাকিব-তামিমবিহীন ম্যাচে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নতুন প্রধান ও সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। অদম্য সাহস, মনে সঞ্চার ও দৃঢ় বিশ্বাসের ফলেই তাদের এই অবিশ্বাস্য জয়। সুতরাং কোনোভাবেই আর হতাশা হওয়া যাবে না। কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছেন, ‘আমরা চলিব পশ্চাতে ফেলি’ পচা অতীত, গিরি-গুহা ছাড়ি খোলা প্রান্তরে গাহিব গীত’-। তাই টাইগাররা এগিয়ে চলো আপন গতিতে।
মো. মিজানুর রহমান প্রধান
৫নং বাউশিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান
থানা-গজারিয়া, জেলা- মুন্সীগঞ্জ।
বাংলাদেশ প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দিল্লিতে ভারতকে সাত উইকেটে হারিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছে। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে ভারতের বিরুদ্ধে এটিই বাংলাদেশের প্রথম জয়। সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের মতো তারকাবিহীন বাংলাদেশ দল শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে তা নিয়েই অনেকের মধ্যে সন্দেহ কাজ করেছিল। কিন্তু মাঠে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সর্বোচ্চ স্তরের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলায় বিপুল অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ভারতের ব্যাটিং লাইনআপকে বাংলাদেশের বোলাররা পাত্তাই দেয়নি। অধিনায়ক রোহিত শর্মা আউট হন মাত্র ৯ রানে। শিখর ধাওয়ান ছাড়া কোনো ব্যাটসম্যানই বড়ো অঙ্কের রান পাননি। পক্ষান্তরে মুশফিকুর রহিম ৪৩ বলে ৬০ রান নিয়ে এক দারুণ ইনিংস খেলেছেন। শক্তিমত্তায় স্বাগতিকরা এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত শেষ হাসি হাসবে বাংলাদেশের টাইগাররা। এমনই লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের টিম স্পিরিট দেখে। তবে খেলা তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।
মো. জিল্লুর রহমান
সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা
ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের শক্তিমত্ত্বা প্রদর্শনের এটাই মোক্ষম সুযোগ। ক্রিকেটাররা প্রথম ম্যাচের আত্মবিশ্বাস বাকি ম্যাচগুলোতে কাজে লাগাবেন বলে আশা করছি।
ফাহাদ
যবিপ্রবি
বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের এবারের ভারত সফর নানা অর্থেই ‘ঐতিহাসিক’। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই ক্রিকেট পরাশক্তি আগে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে মুখোমুখি হলেও এই প্রথম ভারতে ‘পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফর’ করছে বাংলাদেশ দল। আমরা আনন্দিত ও উত্সাহিত যে, তিনটি টি-২০ ও দুটি টেস্ট ম্যাচের প্রথমটিতেই ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ দৃষ্টিনন্দন জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। আমি বঙ্গীয় ব্যাঘ্রদের অভিনন্দন জানাই। অস্বীকারের উপায় নেই যে, বাংলাদেশ ক্রিকেটে এক ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। তাতে মাঠের বাইরে চলে গেছেন দলের অন্যতম স্তম্ভ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ভরসার আরেক সারথি তামিম ইকবালও এ দলে যোগ দিতে পারেননি পারিবারিক কর্তব্যবোধে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়া সহজ ছিল না আমাদের জন্য। আমাদের দামাল ছেলেরা কেবল দারুণ প্রতিযোগিতাই গড়ে তোলেনি, বিজয়ীও হয়েছে! আমি মনে করি, এ জয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট দিগন্তে জমা হওয়া কালো মেঘ কেটে গেছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের ক্রিকেটভক্তদেরও দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ দিতে চাই আমি। একটি ম্যাচ জিতলে সমর্থকরা যেমন আনন্দে উদ্বেলিত হন, হারলে তেমনই ক্ষোভ ও হতাশাও প্রকাশ করেন! এতে খেলোয়াড়দের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। স্বল্পদর্শী এ প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের সময় হয়েছে এবার বোধ হয়। আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি, চাপমুক্ত বাংলাদেশ দল যে কোনো দিনকেই নিজের করে নিতে সক্ষম এবং সিরিজ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী আমি।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
মুন্সিপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
অবশেষে অন্ধকার কাটিয়ে আলোর দেখা মিলেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট আকাশে। কাঙ্ক্ষিত একটি জয় নিশ্চিতভাবেই বাড়িয়ে দিয়েছে দলের মনোবল। এর একটি বড়ো কারণ হচ্ছে প্রতিপক্ষ দলটি ভারত। খেলা হচ্ছে ভারতের মাটিতে। আর ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি কিংবা টেস্ট—সব ফরম্যাটেই ভারত অনেক দলের চেয়ে এগিয়ে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারতের অবস্থান পঞ্চম। আর নবম অবস্থানে বাংলাদেশ দল। অর্থাত্ সামর্থ্যের বিবেচনায় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে ভারত। কিন্তু যেভাবে তারুণ্যনির্ভর বাংলাদেশ দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তা এককথায় অনবদ্য। বিগত দিনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে, মাঠের ক্রিকেটে পারফরম্যান্সের ক্রমাবনতি ছিল স্পষ্ট। মাঠের বাইরেও নানা ঘটনার জন্য শিরোনাম হয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই দেখা গেল নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়ে খেলেছে বাংলাদেশ। করেছে অসাধ্য সাধন। এ ম্যাচে বাংলাদেশের হারানোর কিছু ছিল না, পাওয়ার ছিল অনেক কিছুই, পেয়েছেও বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে এটা ছিল ১০০০তম ম্যাচ। সেই ম্যাচটি নিজেদের জন্য স্মরণীয় করে রাখল বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা। বোলিং, ফিল্ডিং, ব্যাটিং—তিন দিকেই অসাধারণ পারফরম্যান্স। বাংলাদেশ দলের জন্য রইল অনেক শুভ কামনা।
মোছা. বিলকিছ আক্তার
হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর।
ভারতের সঙ্গে টি-২০ ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথমসারির তিন জন খেলোয়াড় নেই। তুলনামূলক নবীন দল নিয়ে ভারতের মাটিতে ভারতকে হারিয়ে প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের নবীন ক্রিকেটাররাও পারেন। আশা রাখি, আগামী দিনেও তাদের এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
খন্দকার কামরুজ্জামান,
৩৬৩/১০, উত্তর পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা।
তিনটি টি-২০ ও দুটি টেস্ট ম্যাচ ক্রিকেট খেলতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এখন ভারত সফরে রয়েছে। তিন ম্যাচ টি-২০-এর প্রথম ম্যাচে ভারতের মাঠে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল দারুণ খেলা উপহার দিয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের অসংখ্য ক্রিকেটপ্রেমী ভক্ত দর্শকদের। সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল বিহীন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এত ভালো খেলতে পারবে, কেউ তা ভাবতেও পারেনি। বাংলাদেশ দলে যেমন সাকিব ও তামিম নেই, তেমনি ভারতীয় দলে নেই বিরাট কোহেলি। তারপরও বাংলাদেশ টাইগার বাহিনী বুঝিয়ে দিল কিভাবে ভয়কে জয় করতে হয়।
ফারুক আহমেদ,
বাঘমারা, রাজশাহী।
বাংলাদেশ-ভারত টি-২০ সিরিজের প্রথম ব্যাচে ভারতের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে ৭ ইউকেটে জয় ছিনিয়ে এনেছেন টিম টাইগাররা। আত্মবিশ্বাস যে মানুষকে যে কোনো কাজে বিজয়ী করে তোলে, এটা তারই প্রমাণ।
মো. ইফতেখার হোসাইন লিটন,
হাইমচর, চরভৈরবী।
বাংলাদেশের এটাই মোক্ষম সুযোগ ছোটো ফরম্যাটে ভারতকে প্রথমবারের মতো সিরিজ হারানোর। সাকিব ও তামিম বিহীন এই ম্যাচ সিরিজ ক্রিকেট খেলা সত্যি একটি ইতিহাস বলা যায়। ২০১৬ সালে আইপিএলে ঘুরে ঘুরে ভারতের বিভিন্ন ভেন্যুতে দলের প্রায় সব ম্যাচেই খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে সাকিবের। তাকে মিস করা কষ্টের বৈকি।
মো. মামুন,
বংশাল, ঢাকা।
কিছুদিন আগে বাংলাদেশকে মনে হচ্ছিল ভেঙে পড়া একটি দল। অথচ প্রথম টি-২০তে দেখা গেল অন্যরকম চেহারা। বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজের ঘরের মাঠে ভারতই ছিল ফেভারিট। কিন্তু ভারত সেই ফেভারিটের মর্যাদা ধরে রাখতে পারেনি। জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ। আমরা মনে করি, সাহসের সঙ্গে ও আত্মপ্রত্যয় নিয়ে সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল),
আরাপপুর, ঝিনাইদহ।
অত্যন্ত সাহসিকতা, আত্মপ্রত্যয় ও বিচক্ষণতার মধ্য দিয়ে তারা প্রথম ম্যাচে জয় ছিনিয়ে এনেছে। বাকিগুলোতেও আনবে। তাদের জন্য আশীর্বাদ রইল।
রিফাত,
শান্ত মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরা, ঢাকা।
এমনিতেই প্রথম টি-২০ হেরে মহাচাপে আছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। এদিকে সাইক্লোনের কারণে বাকি খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা আছে। দিল্লিতে বায়ুদূষণেও স্বাভাবিক খেলা বিঘ্নিত হচ্ছে। তবে আশার কথা, বাংলাদেশ একটি ম্যাচ জিতেছে এর মধ্যেই।
লায়ন অ্যাডভোকেট রবিউল হোসেন রবি, কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা।
ভারতের মাটিতে দিল্লিতে প্রথম টি-২০তে জয়ের আগে কখনই জিততে পারেনি বাংলাদেশ। ১৯৯০ সাল থেকে তিনটি ওয়াড-ডে, ১টি টেস্ট ও ১টি টি-২০ খেলে সবকটিতে হেরেছিল। অথচ এবার ভারতকে তাদের মাটিতে হারিয়ে স্বাদপূরণ করেছে বাংলাদেশ।
মো. মারুফুজ্জামান
বাসাবো, ঢাকা।
মাঠে দাপুটে পারফরম্যান্সের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেটের মুখচ্ছবি হচ্ছেন সাকিব আল হাসান। তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মোস্তাফিজুর রহমান সবাই তারকা ক্রিকেটার, সবাই ম্যাচ উইনার। অথচ এদের তিনজন ব্যতীত বাংলাদেশ-ভারত টি-২০ সিরিজ জয় ছিনিয়ে এনেছে প্রথম ম্যাচে। অভূতপূর্ব ঘটনা বাংলাদেশের জন্য।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা।
অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা যা পারে না, তাই পারল ও করল বাংলাদেশ। ভারতের মাটিতে গিয়ে ভারতকে হারাল বাংলাদেশ। এটা সত্যি বিস্ময়কর বিষয়।
ফারুক আলাম
মালিবাগ, ঢাকা।
বাংলাদেশ ম্যাচ জিতলেও আমাদের মনে রাখা উচিত, বাংলাদেশ দল পূর্ণশক্তিতে নেই। দলে সাকিব ও তামিম অনুপস্থিত। এতে বোঝা যায়, একটি দলে ঐক্যবদ্ধ টিমওয়ার্কই তাদের আসল শক্তি। সেই টিমওয়ার্ককে কাজে লাগাতে পারলে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে প্রথম ম্যাচের পুনরাবৃত্তি ঘটবে বলে আমরা আশা করি। এছাড়া পরবর্তী ম্যাচে মুশফিক ও মাহমুদ উল্লাহর মতো তারকরা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবেন, এটাই জাতির প্রত্যাশা। জিততে হলে ১১ জনের প্রত্যেকেরই ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
মো. আশিক জুবায়ের খান মজলিশ
৩৫/১, ধানমন্ডি-৪, সড়ক-৪ ধানমন্ডি, ঢাকা।
দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে আবার প্রাণের সঞ্চার হতে শুরু করেছে। এর কৃতিত্ব পুরোটাই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। তারা মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই দুঃসময়টাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন। আহত বাঘ কতটা হিংস্র হয়ে উঠতে পারে, হানতে পারে মারণ থাবা, রবিবার রাতে সেটাই দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। সেই থাবায় ক্ষতবিক্ষত হয়েছে ভারত। বড়ো দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া টাইগাররা ফেলেছে স্বস্তির নিশ্বাস, সেটাও দিল্লির অত্যধিক দূষণপূর্ণ বাতাসে। যে ভারত আগের আটটি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সামনে ছিল অলঙ্ঘনীয় দেওয়াল, সেই ভারতকেই দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সাত উইকেটে হারিয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। শক্তিধর ভারত পরবর্তী ম্যাচগুলিতে ঘুরে দাঁড়ানোর সর্বাত্মক চেষ্টাই চালাবে—এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। তাই ভড়কে গেলে চলবে না। কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যেতে হবে।
অমিত বণিক
মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক, উত্তরা, ঢাকা
কোনো খেলায় শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না যে টিম জয় পাবেই, অনেক সময় ভালো টিমও খারাপ খেলতে পারে। তবে এবার আমরা আশাবাদী যে টাইগাররা টি-২০ ভালো খেলবে এবং সিরিজ জয় করবে। কারণ বর্তমান টিমের ভেতর অন্যবারের চেয়ে একটা আলাদা উদ্দীপনা কাজ করছে।
মো. ফিরোজ আহম্মেদ
মিরপুর সেকশন-৬, ঢাকা।
