৭ নভেম্বরের খুনিদের খুঁজতে ‘স্বাধীন কমিশন’ প্রয়োজন

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ২২:২২

৭ নভেম্বর সৈনিক হত্যার মিশন পরিচালিত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের কোনো যৌক্তিকতা আমি দেখি না। বরং ৭ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে একটি ?‘স্বাধীন কমিশন’ গঠন করা প্রয়োজন।’ গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

ক্র্যাবের সভাপতি আবুল খায়েরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক দীপু সারোয়ার, সহ-সভাপতি মিজান মালিক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জি এম তসলিম উদ্দিন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ। ক্র্যাব সভাপতি আবুল খায়ের বলেন, ক্রাইম রিপোর্টাররা অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। সাধারণত যারা রিপোর্ট করেন, প্রতিটি রিপোর্ট কারও পক্ষে ও কারও বিপক্ষে যায়। যাদের বিপক্ষে যায় তারা মামলা দিয়ে সাংবাদিকদের হয়রানি করেন। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এই ধরনের হয়রানির মামলা এড়াতে তথ্যমন্ত্রীকে দৃষ্টি দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়া সাংবাদিকতা পেশায় অরাজকতা বন্ধে ও ৯ম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে তথ্যমন্ত্রীকে নজরদারির অনুরোধ জানান ক্র্যাব সভাপতি। বক্তব্য শেষে তথ্যমন্ত্রী দাবা খেলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর যা ঘটেছিল তা হলো হত্যাকাণ্ড। সেদিন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, উপসেক্টর কমান্ডারসহ অনেককে হত্যা করা হয়েছে। খালেদ মোশাররফকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশনের তিন কর্মকর্তাকেও হত্যা করা হয়। এটা আসলে বিপ্লব তো নয়ই, সৈনিক হত্যার মিশন। তাই এই দিনটি বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের কোনো যৌক্তিকতা নেই।’