ফুলকপি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এতে রয়েছে প্রচুর আঁঁশ, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, ফলিক অ্যাসিড, জিংক, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন কে, কোলিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আঁশ ওজন কমাতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার পাশাপাশি খাবার সঠিকভাবে পরিপাকেও সাহায্য করে। আঁশ বেশি থাকায় নিয়মিত ফুলকপি খাবার তালিকায় রাখলে তা হূদরোগ, স্ট্রোক, টাইপ টু ডায়াবেটিস এবং ওবেসিটির ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকায় ফুলকপি উচ্চ রক্তচাপ ও হাইপারটেনশনের রোগীদের জন্য খুব উপকারী। এতে বিদ্যমান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এছাড়া রয়েছে কোলিন, যা সাধারণত স্মৃতিশক্তি ও কাজে মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে, মস্তিষ্কের বিকাশ সাধন করে, ঘুমও ভালো হয়। তবে আঁশ বেশি থাকায় অতিরিক্ত ফুলকপি খাওয়ার ফলে অনেকের পেট ফাঁপা, গলা জ্বলা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। —লেখক:উম্মে সালমা তামান্না

