কামারখন্দ উপজেলার হাজি কোরপ আলী মেমোরিয়াল কলেজের এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় সামাজিক সালিশের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। তবে জরিমানার পুরো টাকা কলেজছাত্রী পায়নি। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও মাতবররা মিলে আত্মসাত্ করেছেন।
কলেজছাত্রীর বাবার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তার মেয়েকে পল্লি চিকিত্সক জাহাঙ্গীর আলম যৌন নিপীড়ন করেন। ১২ অক্টোবর মামলা করেন তিনি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে, বাদীপক্ষকে মামলাটি তুলে নিতে এবং বিষয়টি মীমাংসার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও মাতবররা। গত ২৮ অক্টোবর সালিশ হয়। রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ, গোপালপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন, বাড়াকান্দি গ্রামের আক্তার হোসেন, আনোয়ার হাজি, সাদেক আলী মুন্সি বৈঠকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। কিন্তু মাত্র ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয় মেয়ের বাবার হাতে। বাকি টাকা তারা ভাগবাঁটোয়ারা করে নেন। তবে আব্দুর রশিদ ও আনোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জরিমানার পুরো টাকাই মেয়ের বাবাকে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইয়ামিন হোসেন জানান, আসামিকে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না। তবে মীমাংসার ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।
