সাভারের আশুলিয়ায় দলীয় ফেস্টুন সরিয়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ কর্মীদেরকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। গতকাল শনিবার ভোররাতে জামগড়া বেরন এলাকায় ক্রিয়েশন গার্মেন্টস এর সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় ইয়ারপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সৈয়দ আহম্মেদ ভূইয়ার জামাতা রুবেল আহম্মেদ ভূইয়াকে প্রধান আসামি করে আহত রিপন মিয়ার স্ত্রী চায়না বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলো- আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আহম্মেদ ভূইয়ার মেয়ের জামাই রুবেল আহম্মেদ ভূইয়া, জামগড়া ভূইয়াপাড়া এলাকার ঝড়ু ভূইয়ার ছেলে উজ্জল ভূইয়া, জসিম উদ্দিনের ছেলে নাজমুল হক ইমু, জালাল মোল্লার ছেলে ময়না মোল্লা, মোঃ সম্রাট, তমিজ মীরের ছেলে সুমন মীরসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮জন। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে উজ্জল ভূইয়াকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আশুলিয়া থানা যুবলীগের ব্যানারে বিভিন্ন ফেস্টুন লাগিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে আসছিল থানা যুবলীগের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি ওই ব্যানার ফেস্টুন খুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন। সে মোতাবেক শুক্রবার রাতে যুবলীগ কর্মী রিপন মিয়া, ফারুক, শিপু, রিপন, বাবু ও নয়ন ইয়ারপুর ও জামগড়া এলাকায় ব্যানার ফেস্টুন খুলে পিকআপ গাড়িতে করে জামগড়া থেকে নরসিংহপুরের দিকে যাচ্ছিলো। খবর পেয়ে ভোররাত তিনটার দিকে অপপ্রচারকারীরা লোকজন নিয়ে যুবলীগ কর্মীদের গতিরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদেরকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
