নতুন এক ভালো লাগা এই পুরস্কার

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৪০

চিত্রনায়ক সায়মন সাদিক। ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জান্নাত’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন। ক্যারিয়ারে প্রথম চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেয়ে নিজের ভালো লাগার কথা, সহকর্মীদের ও ভক্তদের সাড়া প্রসঙ্গের পাশাপাশি অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু

ক্যারিয়ারের প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন। নতুন এক ধরনের ভালো লাগার অভিজ্ঞতা, সেই বিষয়টি জানতে চাই শুরুতে—

আসলেই নতুন এক ভালো লাগা এই পুরস্কার। কোনো কিছুর সঙ্গে আসলে তুলনা হয় না। আনন্দের পাশাপাশি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয় এই ধরনের স্বীকৃতি। ঘোষণার পর থেকেই সবাই বেশ অভিনন্দন জানাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে আমার সহকর্মীরাও। সত্যিই দারুণ এক সময় যাচ্ছে।

 

‘জান্নাত’ সিনেমাটি মুক্তির পর কি এমনটা মনে হয়েছিল কিনা এটি আপনার জন্য কোনো চমক নিয়ে আসবে?

প্রথমত বলি। এই সিনেমাটি শুরুর সময় আমাদের দুটি গল্প ছিল। সেখান থেকে আমরা এই গল্পটির শুটিং শুরু করি। তখন সিনেমার নাম ছিল ‘ইফতেখার’। এরপর ‘জান্নাত’ রাখা হয়। সিনেমাটি মুক্তির পর আমরা বেশ সাড়া পেয়েছি। আমরা পুরো টিম বেশ পরিশ্রম করে কাজ করেছি। তবুও একটি কাজ করতে গিয়ে বা শেষ করে তো বোঝা যায় না এটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাবে কিনা। তবে একটি সিনেমার মধ্য দিয়ে শিল্পী মধ্যে যেই সন্তুষ্টি কাজ করে সেটি ছিল। আর পুরস্কারটি অবশ্যই বড় চমক।

 

সিনেমার ক্ষেত্রে এখন আরো বাছাই করবেন কিনা?

আসলে বাছাই করে সিনেমা আমি গত কয়েক বছর ধরেই করছি। আমি তো চাই বছরে দুটির বেশি সিনেমার করবো না। তাতে করে একটি সিনেমার জন্য যেই প্রস্তুতি দরকার আমি সেটি নিতে পারবো। কিন্তু আমার একমাত্র পেশা এটি। আমি না চাইলেও পেশার কারণে অনেক সিনেমার আমাকে করতে হয়। বছরে দুটি সিনেমা করে টিকে থাকা কঠিন। তবুও এরমধ্য থেকে চেষ্টা করছি যতটুকু বাছাই করে কাজ করা যায়।

 

আপনার এখনকার ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলুন—

‘আনন্দ অশ্রু’ শেষের অপেক্ষায় আছি। দুটি গানের শুটিং বাকী আছে। ‘জান্নাত’ সিনেমার পুরো টিম এই সিনেমায় কাজ করছে। এছাড়া ‘বাহাদুরি’ সিনেমার শুটিং-এর ব্যস্ততা চলছে। ‘গোপন সংকেত’ শিরোনামে একটি সিনেমা রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি ফটোশুটের ব্যস্ততা আছে।