ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব

মনপুরা-হাজিরহাট সংযোগ সড়ক বিচ্ছিন্নের আশঙ্কা!

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০১৯, ২১:০০

মো. ছালাহউদ্দিন, মনপুরা (ভোলা) সংবাদদাতা

ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরা উপজেলা সদর হাজির হাট বাজার থেকে উত্তর পাশে উত্তর চরযতিন জামে মসজিদসংলগ্ন পাকা সংযোগ বেড়িবাঁধ সড়কটি ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মেঘনায় অস্বাভাবিক জোয়ার বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে পাকা বেড়িবাঁধ সড়কটির মাটি সরে যাচ্ছে। সংযোগ সড়কটি বিচ্ছিন্ন হলে বন্ধ হয়ে যাবে দুটি গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়বে দুটি গ্রামের কোমলমতি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ ১০  সহস্রাধিক মানুষ।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে বর্তমানে ভাঙনের তীব্রতায় পাকা বেড়িবাঁধ সংযোগ সড়কটির কাছাকাছি চলে এসেছে মেঘনা। পাকা সংযোগ সড়কটির নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যেই সংযোগ সড়কটি পুরোপুরি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংযোগ সড়কটি ভেঙে গেলে মেঘনার জোয়ারের পানি প্রবেশ করে চর যতিন ও সোনারচর  গ্রাম প্লাবিত হবে। দুটি গ্রামের ১০ সহস্রাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়বে। গ্রাম প্লাবিত হলে মানুষের বসতবাড়ি ডুবে যাবে। ভেসে যাবে পুকুরের মাছ ও নষ্ট হবে আমন ফসল।

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতে পড়ালেখার কোনো সমস্যা না হয় তার জন্য দ্রুত সড়কটি রক্ষার জন্য জিও ব্যাগ ফেলে সড়কটি রক্ষা করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছেন এলাকার সচেতন মহল। এছাড়াও ১ নম্বর মনপুরা ইউনিয়নের বেতুয়া স্লুইজগেটসংলগ্ন বেড়িবাঁধ ভাঙনের হুমকির মুখে।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয় আমরা ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। চেষ্টা করছি দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলে সড়কটি রক্ষা করার।

উপজেলা চেয়ারম্যান সেলিনা আকতার চৌধুরী বলেন, পাকা বেড়িবাঁধ সড়কটি রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীর সঙ্গে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।