এ বছর এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে প্রায় দশ লাখ শিক্ষার্থী। এদের অর্ধেকই নারী। ইউনিভার্সিটি অ্যাডমিশন ব্যাটলফিল্ডে নামার আগেই তাদের পড়তে হচ্ছে প্রতিবন্ধকতার মুখে। অদূরদর্শী নীতিনির্ধারকদের উদাসীনতায় সমাজে মানুষের মানসিক গঠনে রুচিবিকার ঘটেছে। সঙ্গত কারণেই নারীর পথচলায় পারিপার্শ্বিক নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তার কথা ভেবেই বাবা-মায়েরা মেয়েদের দূরে যেতে দিতে চান না। দূরের গন্তব্যে গিয়ে অচেনা শহরের কোনো হোটেলে উঠে অনেক টাকা খরচ করে ভর্তিযুদ্ধে মেয়েদের অবতীর্ণ হওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সেজন্যই প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি তৈরিতে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন একটি সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন করে দিতে পারে। একটি মানবিক সত্-আদর্শিক জাতি গঠনে শিক্ষিত মায়ের বিকল্প নেই। নারীর উচ্চশিক্ষা যেন মাঝপথে থেমে না যায়, তাই সরকারকে শিক্ষাবিদ, সমাজবিজ্ঞানী, অপরাধ-বিশেষজ্ঞের উপদেশ গ্রহণ পূর্বক সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
শেখ মুহম্মদ বেলাল হোসেন
নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম
