হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার পেলেন রাবেয়া খাতুন ও সাদাত হোসাইন

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২২:০১

ইত্তেফাক রিপোর্ট

হুমায়ূন আহমেদ পুরস্কার পেলেন কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন ও সাদাত হোসাইন। গতকাল মঙ্গলবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিক ‘এক্সিম ব্যাংক-অন্যদিন হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৯’ প্রবীণ ও নবীন—দুই জন কথাসাহিত্যিকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য রাবেয়া খাতুন এবং নবীন সাহিত্যশ্রেণিতে ‘নিঃসঙ্গ নক্ষত্র’ উপন্যাসের জন্য সাদাত হোসাইন এ পুরস্কার পান।

মঙ্গলবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিক ‘এক্সিম ব্যাংক-অন্যদিন হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৯’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রবীণ ও নবীন দুই জন কথাসাহিত্যিকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। সভাপতিত্ব করেন এই পুরস্কারের জন্য গঠিত বিচারকমণ্ডলীর সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। অনুষ্ঠানে অতিথিদের পাশাপাশি কথা বলেন লেখকের ছোটো ভাই শিক্ষাবিদ লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অন্যদিন সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে স্বনামধন্য নৃত্যশিল্পী মুনমুন আহমেদ এবং রেওয়াজ পারফরমার স্কুলের শিল্পীবৃন্দের নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। নৃত্য পরিচালনায় মুনমুন আহমেদ।

আবদুল মোমেন বলেন, বর্তমান সমাজে আমরা অবক্ষয় দেখি। আর এসব অবক্ষয় দূর করতে পারে সৃজনশীল নানা কর্ম। হুমায়ূন আহমেদের নামাঙ্কিত এ পুরস্কার এই অঙ্গনের মানুষকে অনুপ্রেরণা দেবে। মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, হুমায়ূন আহমেদের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ‘ডোন্ট কেয়ার’। তিনি সত্যি কাউকে তোয়াক্কা করতেন না। তিনি যা ভালো মনে করতেন তাই করতেন। সারাদেশে যখন রাজাকারদের কথা উচ্চারণ করা অঘোষিতভাবে নিষিদ্ধ ছিল তিনি তখন টিয়া পাখির মুখ দিয়ে ‘তুই রাজাকার’ উচ্চারণ করিয়েছিলেন।

মেহের আফরোজ শাওন বলেন, হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যে শুধু অসংখ্য পাঠক তৈরি করেননি পাশাপাশি তার লেখা অনুপ্রাণিত করেছে অসংখ্য লেখককে। তার নামাঙ্কিত এ পুরস্কার তরুণ লেখকদের উত্সাহিত করবে আশা করি।