সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে অপহূত নবম শ্রেণির ছাত্রী (১৪) এক মাসেও উদ্ধার হয়নি। গত ১১ অক্টোবর খালার বিয়ে উপলক্ষ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে সপরিবারে সিদ্ধিরগঞ্জে বেড়াতে এসে অপহূত হয় সে। এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা হলেও তাকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে আটকের বিষয়ে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ জানিয়েছে পরিবার। মামলা সূত্রে জানা যায়, ঐ মেয়ের পিতা ঢাকা জেলার কেরানিগঞ্জের বাসিন্দা। তিনি তার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে গত ১১ অক্টোবর সিদ্ধিরগঞ্জে শ্বশুর বাড়িতে শ্যালিকার বিয়ে উপলক্ষ্যে বেড়াতে আসেন। পর দিন সকালে ভুঁইয়া সিটি মাঠ থেকে বড়ো মেয়ে অপহূত হয়।
মেয়েটির পিতা জানান, তার মেয়ে ১২ অক্টোবর সকালে দাঁত ব্রাশ করতে করতে বাসার পাশে মাঠে যায়। তখন তার মেয়ের সহপাঠী আবীরদের মাইক্রোবাসের চালক ইসমাঈল (৪৫) ও তার সহযোগীরা তার মেয়েকে ফুসলিয়ে প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যায়। কেরানিগঞ্জে আমাদের বাসার সাথেই আবীরদের বাসা। আর মাইক্রোবাস চালক ইসমাঈলের পিতার নাম আব্দুর রহিম। তার বাড়ি নরসিংদীর পলাশ থানার টেকপাড়া ঘোড়াশালে। ঘটনার পরপর আমরা ফোনে যোগাযোগ করলে আমার মেয়ের কোনো খোঁজ জানে না বলে তারা জানায়। আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ঘোড়াশালে গেলে তার পিতা বাড়িতে ঢুকতে না দিয়ে ছেলেকে পালাইয়া যেতে সাহায্য করে। পরে ইসমাঈল ও তার পিতাসহ অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করি। অপহরণে সহযোগিতা করার অভিযোগে পুলিশ অপহূতার সহপাঠি আবীর ও ইভাকে গত ৪ নভেম্বর রাতে আটক করে। পরদিন তাদেরকে আদালতে পাঠালে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় বলে জানায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শফিউল্লাহ মির্জা। তিনি আরো জানান, ভিকটিমকে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
