এনডিটিভি
অযোধ্যার মামলার রেশ কাটতে না কাটতেই আর এক ঐতিহাসিক রায় দিল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির দপ্তরকে তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় আনার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখল শীর্ষ আদালত।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, এবার থেকে তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় আসতে চলেছে প্রধান বিচারপতির দপ্তরও। বিচারপতিদের মতামতের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই এদিন এই রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তাতে বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি সরকারি কর্তৃপক্ষের এক্তিয়ারভুক্ত। তথ্যের অধিকার এবং গোপনীয়তার অধিকার দুটিই একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’। সাংবিধানিক বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ছাড়াও রয়েছেন বিচারপতি এনভি রামানা, ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, দীপক গুপ্ত এবং সঞ্জীব খন্না।
গত ২০১০ সালে প্রধান বিচারপতিকে আরটিআইয়ের আওতায় আনার পক্ষে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতির দপ্তরকে আরটিআই আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছিল ঐ আদালত। সেই সঙ্গে ৮৮ পাতার রায়ে এটাও জানিয়ে দেওয়া হয়, ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কোনো বিচারপতির স্বাধিকার নয় বরং এর দায়িত্ব তার ওপরেই বর্তায়।’ দিল্লি হাইকোর্টের সেই রায় এবং কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান শীর্ষ আদালতের সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় জনসংযোগ আধিকারিক। গত ৪ এপ্রিল এই মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন প্রধান বিচারপতি।
