মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কথা বলার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন ড. কামাল: মেনন

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:০৯

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের সাথে নিয়ে নির্বাচনে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও বুদ্ধিজীবীদের সম্পর্কে কথা বলার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন ড. কামাল হোসেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিলন হলে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাশেদ খান মেনন বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের সাথে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ড. কামাল বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে যাবার নৈতিক অধিকার এবং বুদ্ধিজীবী হত্যা, স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কথা বলার অধিকার হারিয়েছেন। তাই, সাংবাদিকরা নয়, দেশবাসীর কাছে তারই ক্ষমা চাইতে হবে।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান-বেগম খালেদা জিয়ার পর ড. কামাল এখন যুদ্ধাপরাধীদের রাষ্ট্র ও সমাজে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছেন। আর এই অপরাধবোধ থেকেই সম্ভবত তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নে ক্ষেপে গিয়েছিলেন। তবে তার মনে রাখা উচিত একমুখ ধমক দিয়ে বন্ধ করা যায়,কিন্তু কোটি মানুষের মুখ বন্ধ রাখা যায় না।

আরও পড়ুন: বিয়ের পরের অভিজ্ঞতা জানালেন দীপিকা

সাংবাদিকদের টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন করা প্রসঙ্গে মেনন বলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যা নিয়ে প্রশ্ন করায় ড. কামাল যদি একজন সাংবাদিককে হুমকি দিতে পারেন, কত টাকা নিয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করছে বলে জিজ্ঞেস করতে পারেন, তাহলে আমরাও তাকে একই প্রশ্ন করতে পারি যে তিনি কত টাকার বিনিময়ে যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমতায় বসাতে মাঠে নেমেছেন।

তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাবার লোভে ড. কামালরা ধরা কে সড়া মনে করছে। তারা পাকিস্তানের আইএস এর সাথে আঁতাত করে রাজাকার আলবদরের দোসরদের এখন ক্ষমতায় নিতে চায়। বাসস।

ইত্তেফাক/এমআই