কথা চিরন্তন

আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৫২

চাণক্যশ্লোক

 

জানা যায়, চাণক্য প্রাচীন ভারতে একজন সুদক্ষ কূটনীতিজ্ঞ ছিলেন। তিনি  ছিলেন মৌর্য বংশীয় নৃপতি চন্দ্রগুপ্তের মন্ত্রীও। ‘অর্থশাস্ত্র’ নামক রাজনীতি বিষয়ক একটি গ্রন্থেরও রচয়িতা তিনি। কৌটিল্য তাঁরই অপর নাম। অনেকে বলেন, তিনি আর বিষ্ণুগুপ্ত অভিন্ন ব্যক্তি। চাণক্যের পরিচয় নিয়ে বিতর্ক থাকলেও তাঁর রচিত শ্লোকগুলোর সারবত্তা নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। সমাজ ও জীবনের ক্ষেত্রে চাণক্যশ্লোকের গুরুত্ব আজো অপরিসীম। অনুবাদসহ কয়েকটি চাণক্যশ্লোক উল্লখ করা হলো—

১.  পণ্ডিতে চ গুণাঃ সর্বে মূর্খে দোষা হি কেবলম্।

     তস্মাস্মূর্খ সহস্রেভ্যঃ প্রাজ্ঞ একো বিশিষ্যতে

     অনুবাদ: পণ্ডিত গুণে পূর্ণ, মূর্খ শুধু দোষের আধার,

তাই, সহস্র মূর্খ অপেক্ষা একজন পণ্ডিতই শ্রেষ্ঠ।

 

২.  কিং কুলেন বিশালেন গুণহীনস্তু যো নরঃ।

     অকুলী নোহপি শাস্ত্রজ্ঞো দৈবতৈয়পি পূজ্যতে

            অনুবাদ: নীচকুলে জন্মেও যিনি জ্ঞানবান,

                  তাকে তো দেবতারাও শ্রদ্ধা করেন,

                   গুণহীন কুলীন হয়ে কী লাভ?

 

৩.   ন কশ্চিত্ কস্যচিন্মিত্রং ন কশ্চিত্ কস্যচিদিরপুঃ।

      ব্যবহারেণ মিত্রাণি জায়ন্তে রিপবস্তুথা

             অনুবাদ: কেউ কারো শত্রু বা মিত্র হিসেবে

                         আবির্ভূত হয় না, ব্যবহারেই শত্রুতা

                          বা মৈত্রী জন্মে।

 

শরীফুল ইসলাম শরীফ