দিনাজপুরে কাহারোল উপজেলায় ছয়টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে দেখা দিয়েছে উত্সবের আমেজ। বাংলা সালের অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম দিন নবান্ন উত্সব। দিনটি পালন করার জন্য কৃষকদের ঘরে ঘরে আনন্দের যেন কমতি নেই। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলেই পরিবারের মানুষ নিয়ে এই নবান্ন উত্সব করে।
নবান্ন ছাড়া এই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার অনেক কৃষক নতুন চালের ভাত খান না। এর মধ্যে যেসব কৃষকের ধান পাকতে দেরি হয় তারা পরে নবান্ন করেন। আবার অনেকে স্থানীয় মসজিদে পোলাও-পায়েশ দেওয়ার পর নতুন চালের ভাত খান। উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামে তরিকুল ইসলাম জানান, তার বাড়িতে দুদিন আগে থেকে আত্মীয়-স্বজন আসতে শুরু করেছে।
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, কিশোরগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, পিঠা মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মোরগ লড়াই, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং ধান কাটা উত্সবের মধ্যদিয়ে নবান্ন উত্সব উদ্যাপন করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার সকালে শহরের পুরাতন স্টেডিয়াম থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল মাঠে নবান্ন মেলা উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী। পরে জেলা প্রশাসকসহ অতিথিবৃন্দ মেলার বিভিন্ন পিঠার স্টল পরিদর্শন করেন। এছাড়াও সদর উপজেলার শোলমারা এলাকায় নতুন আমন ধান কাটা উত্সবের আয়োজন করা হয়।
নওগাঁ প্রতিনিধি জানান, নওগাঁয় নবান্ন উত্সব উপলক্ষ্যে শনিবার সকালে জেলা প্রশাসন ও জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদের উদ্যোগে পুরাতন কালেকটরেট চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমবায় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশীদ।
পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা জানান, পীরগঞ্জে বাংলা মাস অগ্রহায়ণের প্রথম দিনে নতুন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মধ্যদিয়ে নবান্ন উত্সবের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার নানুহার গ্রামের কৃষক রবেন্দ্র নাথ রায়ের খেতে ধান কাটে নবান্ন উত্সবের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজাউল করিম।
