আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বায়িং হাউজগুলো থেকে বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া গেলেও ব্যাংকার এবং ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে বায়িং হাউজের অদক্ষতার কারণে বাণিজ্যে জটিলতা দেখা দেয়। বিশেষ করে ট্রান্সফারেবল এলসির ক্ষেত্রে এ ধরনের জটিলতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। এ কারণে রপ্তানির স্বার্থে ট্রান্সফারেবল এলসির সঠিক ব্যবহারে বায়িং হাউজের আরো দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন।
গতকাল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) ‘অ্যাড্রেসিং চ্যালেঞ্জেস অব ট্রান্সফারেবল এলসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা কর্মশালার এসব কথা বলা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইবিএমের অধ্যাপক এবং পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. আখতারুজ্জামান। কর্মশালায় মূল গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক মো. আলমগীর।
অনুষ্ঠানে এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, সরকারের নানান উদ্যোগ বায়িং হাউজে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, বায়িং হাউজগুলোকে রেটিংয়ের আওতায় আনতে হবে। এতে ইতিবাচক ফল পাওয়া যেতে পারে।
বিআইবিএমের ড. মোজাফফর আহমদ চেয়ার প্রফেসর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরো সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোরারোপ করেন।
পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, তৈরি পোশাক খাতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সুবিধার স্বার্থে বায়িং হাউজগুলোকে রেটিংয়ের আওতায় আনা যেতে পারে। একই সঙ্গে এনবিআর, বিজিএমইএ, বিকেএমইএসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি উচ্চ কমিটি প্রণয়ন জরুরি। এ কমিটি তৈরি পোশাক খাতের সমস্যা নিরূপণ করে সমাধানের উদ্যোগ নেবে। ব্যাংকগুলোকেও কমপ্লায়েন্সের ওপর জোর দিতে হবে।
