নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পালটা ধাওয়ায় উভয় গ্রুপের শতাধিক কর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর প্রধান সড়কের টাউন হল থেকে সম্মেলনস্থল স্টেডিয়াম পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে সম্মেলনের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড ভাঙচুর করা হয়। এ সময় ককটেল বিষ্ফোরণ ও গুলির শব্দে শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ১০৪ জনকে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে ৬৪ জনকে প্রাথমিক চিকিত্সা দেওয়ার পর ৪০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন মো.আবদুল আজিম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সম্মেলন শুরুর আগে সকাল পৌনে নয়টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও সদর-সুবর্ণচর আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী সম্মেলন স্থল শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে যাচ্ছিলেন। একই সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহিদ উল্যাহ খাঁন সোহেলের অনুসারীরা জজকোট সড়ক থেকে মিছিল নিয়ে সম্মেলন স্থলে যাচ্ছিল। পথে শহরের টাউন হলের মোড়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি হলে প্রথমে ধাওয়া পালটা ধাওয়া ও পরে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় ককটেল বিষ্ফোরণ ও গুলির শব্দে শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে এক পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
