দলবদলে যাদের নিয়ে সংশয় ছিল

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০১৯, ২১:১৭

মোহামেডানের একাধিক ফুটবলার নিয়ে এবারের দলবদলে সংশয় ছিল। বিশেষ করে মোহামেডানের অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি, স্ট্রাইকার মিঠুন চৌধুরী, মিডফিল্ডার তকলিস আহমেদ, ডিফেন্ডার আতিকুর রহমান মিশু, আক্রমণভাগে ইউসুফ সিফাতদের নিয়ে টেনশন ছিল। মোহামেডানের সংকটে এই কয়েকজন ফুটবলারের ভাগ্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।

গত মৌসুমে এই সব ফুটবলারদের ওপর ভর করে দল গড়েছিল মোহামেডান। এদের মধ্যে ইউসুফ সিফাত মোহামেডানে রয়ে গেছেন। আর তকলিস আহমেদ খুবই ভাগ্যবান ফুটবলার। তিনি বড়ো পারিশ্রমিকে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রে নাম লিখিয়েছেন। গুঞ্জন রয়েছে তকলিস ২০ লাখেরও ওপরে পারিশ্রমিক নিয়েছেন। সাইড লাইনে পড়ে থাকা তকলিস লিগের ফিরতি পর্বে গোলের পর গোল করে সবার নজর কেড়ে নিয়েছিলেন। সেই তকলিসকে বড়ো পারিশ্রমিক দিয়ে শেখ রাসেল নিয়ে নেবে সেটা অনেকেরই ধারণা ছিল না। মিশু চলে গেছে আবাহনীতে। নিজের জায়গাটা করে নিতে চান সেখানে। আকাশী নীল জার্সি গায়ে আবার মাঠে নামার জন্য অনুশীলনে নিজেকে বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত মিশু। ভাগ্য খারাপ এমিলি ও মিঠুনের। এই ফুটবলার কোথায় দল পাননি। মোহামেডানের সংগঠকদের টেবিলে একসময় এমিলির শক্ত অবস্থান ছিল। চাইলে কতো সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। কোন খেলোয়াড় দলে থাকবেন কে থাকবেন না। কোচ কে হবেন। এই সব নানা বিষয়ে এমিলি এবং মিঠুনের শক্ত অবস্থান ছিল। জুনিয়র খেলোয়াড়দের দাবি এমিলি ভাই যেটা বলবেন সেটাই হবে। মিঠুন ছিল এমিলি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে থাকা ঘনিষ্টজন। কিন্তু মোহামেডানের এবারের দলে এমিলি, মিঠুনকে পাওয়া গেল না। অন্যান্য ক্লাবের সঙ্গেও তাদের যোগাযোগ হয়েছিল। এমিলিকে নিতে রাজি না আবাহনী। জানিয়েছেন ম্যানেজার সত্যজিত দাস রূপু। এমিলি ও মিঠুন ব্রাদার্সেও যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু ব্রাদার্সের ম্যানেজার আমের খান তাদের না নিতে পেরে কষ্ট পেয়েছেন। আমের বললেন, ‘ওরা দলবদলের শেষ দিনে কথা বলেছে। আমরা আগেই দল চূড়ান্ত করে ফেলেছি। এমিলি-মিঠুনকে নেওয়া হলে দুইজনকে বাদ দিতে হবে। এই অন্যায় হয়ে যাবে। আমার পক্ষে সম্ভব না।’ আমের বলেন, ‘ওদের উচিত ছিল মোহামেডানে থেকে যাওয়া। বিশেষ করে এমিলি মোহামেডান থেকে অবসরও নিতে পারবেন।’ এমিলি এবং মিঠুনের নাম কোনো ক্লাব জমা দেয়নি বলে বাফুফে সূত্রে জানা গেছে। ফোনেও পাওয়া যায়নি। এমিলির ঘনিষ্টজন মামুনুল ইসলাম জানালেন তার সঙ্গে কারো যোগাযোগ নেই।