লক্ষ্মীপুরে সুপারির বাম্পার ফলন

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০১৯, ২১:৩৪

উপকূলীয় অঞ্চল লক্ষ্মীপুরের ‘লক্ষ্মী’ হিসেবে পরিচিত অর্থকরী ফসল সুপারির এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। অর্থকরী এ ফসলকে ঘিরে এ অঞ্চলে দেখা দিয়েছে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। উত্পাদিত এ ফসলের বাজারদর ভালো থাকায় সুপারি চাষে আগ্রহ বাড়ছে এখানকার মানুষের। এ মৌসুমে উত্পাদিত সুপারির বাজারমূল্য প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা বলে কৃষি বিভাগ থেকে জানা গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী পরিচালক মো. আবুল হোসেন জানান, লক্ষ্মীপুরে ছোটো-বড়ো মিলিয়ে বর্তমানে ৬ হাজার ৭৯৫ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে। আর এসব বাগানে এ বছর উত্পাদিত হয়েছে ১২ হাজার ৫০০ টন সুপারি। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে ৩ হাজার ৩২৮ টন, রায়পুর উপজেলায় ৩ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে ৭ হাজার ৪০০ টন, রামগঞ্জ উপজেলায় ৮৯০ হেক্টর জমিতে ১ হাজার ৩৩১ টন, কমলনগরে ২৬৫ হেক্টর জমিতে ৩৭১ টন ও রামগতি উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে ৭০ টন সুপারি উত্পাদিত হয়েছে।

জানা গেছে, এ বছর মৌসুমের শুরুতেই সুপারি বিক্রির প্রধান মোকাম সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর শহর, দালাল বাজার, চর রুহিতা, ভবানীগঞ্জ, মান্দারী, দত্তপাড়া, জকসিন, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর উপজেলা শহর, হায়দরগঞ্জ বাজার, সোনাপুর, দেনায়েতপুর, খাসেরহাট, মোল্ল­ারহাট, রামগঞ্জ উপজেলা শহর, কাঞ্চনপুর বাজার, করপাড়া বাজারসহ জেলার প্রতিটি বাজারে সুপারিকে ঘিরে চলছে জমজমাট ব্যবসা।

লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মো. বেলাল হোসেন খান বলেন, ‘এখানকার মাটি ও আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য বেশ উপযোগী। সুপারিবাগান করার মধ্য দিয়ে এখানকার কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। সঠিক সময়ে সুপারি চাষিরা সঠিক পরিচর্যার কারণে এবার এ জেলায় সুপারির বাম্পার ফলন হয়েছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার কাঁচাপাকা সুপারির দাম কিছুটা বেশি। এতে ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষিরা।’