সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা। গতকাল বৃহস্পতিবার সিরডাপ মিলনায়তনে যুক্তরাজ্যের দাতাসংস্থা ইউকে এইডর সহযোগিতায় ‘সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবা’ শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন। কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইডের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইউকে এইড-এর সহযোগিতায় সাড়ে তিন বছর মেয়াদি এই প্রকল্প বরিশাল বিভাগের বরগুনা, ভোলা ও পটুয়াখালী তিন জেলায় এবং খুলনা বিভাগের বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা তিন জেলায় মোট ৯টি উপজেলা ও আটটি পৌরসভায় বাস্তবায়ন হবে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে বিভিন্ন ডিজিটাল ও উদ্ভাবনী কৌশলের মাধ্যমে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের ছয়টি জেলায় নির্দিষ্ট এলাকার বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবার আওতায় এনে স্বাস্থ্য, পরিবার-পরিকল্পনা ও পুষ্টি সেবার উন্নয়নের একটি টেকসই মডেল নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, উপকূলবর্তী সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা। এই অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে প্রয়োজন সকলের অংশগ্রহণ।
সভাপতির বক্তব্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আমিনুল হাসান বলেন, এই প্রকল্পের ফলে উপকূলবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে। এতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যজনিত ঝুঁকি হ্রাস পাবে। যুক্তরাজ্যের দাতাসংস্থা ইউকে এইড-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ জুডিথ হারবার্টসন বলেন, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পটি বিভিন্ন পন্থায় স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ও এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারীদের নিয়ে কাজ করবে। এছাড়াও, প্রতিবন্ধীসহ উপকূলীয় অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত অবক্ষয়ের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করতে এই প্রকল্প সহায়তা করবে।
