ভোলার তজুমদ্দিনে বখাটেদের ভয়ে স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মা-বাবা। ১৩ বছর বয়সি ঐ ছাত্রীকে জোরপূর্বক বিয়ে করতে না পেরে স্বজনদের কয়েক দফায় মারপিট করে বখাটেরা। এ ঘটনায় আহত ঐ ছাত্রীর চাচাকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কাজিকান্দি গ্রামের এক রাজমিস্ত্রির মেয়ে ও ফজিলাতুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জেএসসি পরীক্ষার্থী ঐ ছাত্রীকে দুই মাস যাবত্ উত্ত্যক্ত করে আসছে একই এলাকার বোরাক চালক মো. সেলিমের ছেলে মো. রাকিব (২২)। অভিভাবকের কাছে বিচার চাইলে রাকিব ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে বাধাসহ উচ্ছৃঙ্খলার মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়।
মেয়েটির বাবা জানান, ৩০ অক্টোবর মেয়েকে নিয়ে ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দেই। এতে রাকিব আরো ক্ষিপ্ত হয়ে জোরপূর্বক বিয়ের প্রস্তাব দেয়। রাজি না হওয়ায় কয়েক দফায় আমাকে, আমার বোন, বাবা ও দুই ভাইকে মারপিট করে। এক পর্যায়ে মেয়েকে বাড়ি থেকে সরিয়ে নানা বাড়িতে রেখে জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাই। এরপর থেকে মেয়েকে নিয়ে আমরা সপরিবারে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। তিনি আরো জানান, আমাদের না পেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় রাকিব, মহিউদ্দিন ও সিরাজ মিলে আমার এক ভাইকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে জখম করে। পরে তাকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ ফারুক আহম্মদ জানান, কাজিকান্দিতে মেয়েদের উত্ত্যক্তকরণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকালের মারামারিতে জড়িত একজনকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
