ছাত্রাবস্থাতেই বিয়ে করেছিলেন নড়াইল জেলা জজ আদালতের সহকারী বিচারক রহমত আলী রাজু। চাকরি পাওয়ার আগ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে রাজুর পড়াশোনা। তখন থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয় তার শ্বশুর বাড়ির পক্ষ থেকে। কিন্তু সহকারী বিচারক হওয়ার পর নিজের স্ত্রী সন্তানকে ভুলে গেছেন তিনি। বিয়ের বয়স পে?রি?য়ে গেছে ১১ বছর। তাদের সংসারে রয়েছে একটি ফুটফুটে কন্যা শিশু। স্ত্রী-সন্তানকে ভুলে গিয়েও ক্ষান্ত হননি। মেরে ফেলারও হুমকি দিচ্ছেন তিনি। এরই মধ্যে পরকীয়ায়ও লিপ্ত হয়েছেন সেই সহকারী বিচারক। বিষয়টি নিয়ে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, নড়াইলের জেলা ও দায়রা জজের কাছেও অভিযোগ দিয়েছেন তার স্ত্রী রাবেয়া সুলতানা লাবনী। মামলাও করেছেন খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন সহকারী জেলা জজ রহমত আলী রাজুর স্ত্রী রাবেয়া খাতুন লাবনী।
সংবাদ সম্মেলনে লাবনী বলেন, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার গোবিন্দপুর গ্রা?মের নও?শের আলী শাহরের ছেলে রহমত আলী রাজুর সঙ্গে ২০০৮ সা?লে বিয়ে হয়। ২০১৮ সালের মার্চে নড়াইল জেলায় সহকা?রী জজ হিসাবে যোগদান করেন রাজু। এ সময় তার যাতায়াতসহ অন্যান্য খরচও বহন করেন আমার বাবা। এরপর ধীরে ধীরে আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেন না। গত মে মাসে আমি নড়াইল যাই। আমাকে দেখে রাজু ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। আমার গায়ে হাত তুলে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রহমত আলী রাজু বলেন, বিষয়টি একান্তই পারিবারিক। আমি যে চাকরিটি করি সেটি অত্যন্ত সেনসেটিভ। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া আমি কিছুই বলতে পারব না। তবে বাস্তবতা হলো আমি এরই মধ্যে লাবনীকে ডিভোর্স দিয়েছি। তাই সার্ভিসের ক্ষতি করতে লাবনী আমার বিরুদ্ধে মামলা-মোকাদ্দমাসহ নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। নড়াইলের অতিরিক্ত জেলা জজ হায়দার খন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নলেজে আছে।
