তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে আগামী ৪ বছরে

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০১৯, ২০:২৮

 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন,  ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বটম-আপ অ্যাপ্রোচ পদ্ধতি অনুসরণ করে তৃণমূল থেকে ডিজিটাইজেশনের নতুন যাত্রা শুরু করা হয়। প্রথমে গ্রামে বসবাসকারী মানুষের দোড়গোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সারাদেশে সাড়ে ৫ হাজার এর বেশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী সম্প্রতি খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় স্টার্টআপ অ্যাক্সিলারেটর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু উপলক্ষ্যে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে সরকার এরই মধ্যে ৬০০টি সেবা ডিজিটাইজ করেছে। এসব সেবা মানুষ  অনলাইনে গ্রহণ করছে। আগামী এক বছরের মধ্যে আরো দুই শত  চালু করা হবে এবং ২০২৩ সালের মধ্যে ২ হাজার ৮০০ সার্ভিস সরকারি সেবা অনলাইনে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

পলক বলেন, বিগত প্রায় ১১ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা রূপকল্প-২০২১ ঘোষণা করেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষে চারটি স্তম্ভ—মানব সম্পদ উন্নয়ন, কানেক্টিভিটি, ই-গভর্নেন্স ও আইটি ইন্ডাস্ট্রি প্রমোশন বাস্তবায়নে কাজ করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। আইডিয়া প্রকল্প, হাইটেক পার্ক প্রকল্পসহ আইসিটি বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য মেন্টরিং, কোচিং, ফান্ডিংসহ সহযোগিতা করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ই-কমার্স, বিপিও সেক্টর, সফটওয়্যার কোম্পানিসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা সার্ভিসে মোট ১০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। আগামী ৪ বছরের মধ্যে আরো ১০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।  অনুষ্ঠানে কিনোট উপস্থাপন করেন আমেরিকার মার্কেট এক্সেসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা CHRIS BURRY। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কাজী জামিল আজহার এবং জিপির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল ফোলি বক্তব্য রাখেন।