মৌলভীবাজারের বড়লেখায় শেষ পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হাতে মারা গেল বানরটি। গত বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ঐ বানরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে এলাকাবাসী। পরে মৃত বানরটিকে স্থানীয় সায়েব আলীর মোকাম এলাকায় রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়। গত এক মাসে বানরটির আক্রমণে দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়নের অনেকে আহত হয়েছেন। গত ১৮ নভেম্বর বানরের আক্রমণের বিষয়ে ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশ হয়। পরিত্রাণ পেতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন গত বৃহস্পতিবার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বন বিভাগের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
এলাকাবাসী সূত্র জানায়, গত বুধবার বেলা ১১টা থেকে বিক্ষুব্ধ কয়েকশ লোক বানরটিকে ধরতে লাঠি, দা, সড়কি নিয়ে ধাওয়া করে। বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে বানরটিকে ধরে মেরে ফেলে বিক্ষুব্ধরা।
দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনাম উদ্দিন বৃহস্পতিবার বিলে বলেন, ‘শিশুসহ প্রায় ২৫ জনকে বানরটি আক্রমণ করে আহত করেছে। বন বিভাগকে জানিয়েছিলাম। তাদের লোকজন গত রবিবার স্পট দেখেও গিয়েছিল। ঢাকা থেকে যন্ত্রপাতি নিয়ে আসার কথা ছিল। কিন্তু বানরটি প্রতিদিন মানুষ আক্রমণ করে গুরুতর আহত করত। মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে মেরে ফেলেছে।’
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা জৌলহাস উদ্দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে বলেন, ‘বানরটিকে মেরে ফেলার খবর জানি না। তবে স্থানীয়ভাবে খবর পেয়ে গত রবিবার ঐ এলাকা পরিদর্শন করি। বানরটিকে তখন পাইনি। বানরটি ধরতে ঢাকা থেকে যন্ত্রপাতি আনার ব্যবস্থাও করি। স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বানরটি দেখলে যাতে আমাদের জানানো হয়।’
