রাবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০১৯, ২২:৩৪

প্রকল্পের নামে দুর্নীতি, নিয়োগ নিয়ে বাণিজ্য ও স্বজনপ্রীতি, অর্থ লুটপাটসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কর্তাদের অপসারণের দাবি জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের একাংশ। গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক সুলতান-উল ইসলাম টিপু বলেন, উপাচার্য প্রফেসর এম আব্দুস সোবহান নিয়োগ নীতিমালার ব্যাপক পরিবর্তন করে নিজের মেয়ের এবং জামাইকে ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং আইবিএ তে নিয়োগ দিয়েছেন। এছাড়াও আটটি বিভাগে মোট ২৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন যাদের অনেকেরই আগের নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন করার যোগ্যতাই ছিল না। উপাচার্যের মেয়ে এবং জামাতার মেধাক্রম যথাক্রমে ২১তম  এবং ৬৭তম ছিল। এছাড়া তিনি আরো বলেন, নিয়োগ নীতিমালা উদ্দেশ্যমূলকভাবে পরিবর্তন করে উপাচার্য আবেদনের বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩৫ বছর করেছেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও বিধি মোতাবেক বোর্ড গঠন না করে নিকটাত্মীয়সহ অর্ধশতাধিক অ্যাডহক ও মাস্টাররোলে নিয়োগ দিয়েছেন। উপাচার্য স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করে তার স্ত্রীর ভাগনে সাখাওয়াত হোসেন টুটুলের স্ত্রী ও পরিবহনের প্রশাসক এফ এম আলী হায়দারের স্ত্রীকে স্কুলের শিক্ষক এবং ক্যাফেটেরিয়ার প্রশাসক মো. সিরাজুলের স্ত্রীকে মহিলা হলের আবাসিক শিক্ষক পদে নিয়োগ দেন। এছাড়া উপাচার্য যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়ামের পরিচালক হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো ধরনের অভিজ্ঞতা ছাড়াই তার বন্ধু প্রফেসর আব্দুল মজিদকে নিয়োগ দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. শফিকুন্নবী সামাদী, অধ্যাপক এক্রাম উল্যাহ, আইন বিভাগের সভাপতি বিশ্বজিত্ চন্দ, অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম সাউদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।