পকেটে ইয়াবা আছে এ কথা বলে এক রিকশাচালককে চড় মারলে গ্রামের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে থানার এক দারোগার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন বলে জানা গেছে। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে ঐ দারোগাকে উদ্ধার করেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ব্যাঙ্গা মার্কেটে।
প্রত্যক্ষদর্শী অলি মেম্বারসহ এলাকার লোকজন জানান, সাদা পোশাকে সিংগাইর থানার দারোগা রুবেল মিয়া পুলিশ সদস্য কামরুল ইসলামকে নিয়ে জয়মন্টপ ব্যাঙ্গা মার্কেটে যান এবং স্থানীয় গরিব উল্লার ছেলে রিকশাচালক লালনের রিকশার সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে তাকে আটকায়। এরপর লালনের কাছে ইয়াবা আছে, এ অভিযোগ তুলে তাকে মারধর করে। এ সময় গ্রামবাসী প্রতিবাদ জানিয়ে বলে, ইয়াবাতো দূরের কথা, লালনকে তারা কখনো সিগারেট পর্যন্ত টানতে দেখেনি। এ সময় দারোগা তাদের ওপর চড়াও হলে এক পর্যায়ে গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে দারোগার ওপর হামলা চালায়।
জনরোষ থেকে বাঁচতে পুলিশ সদস্য কামরুল পালিয়ে গেলেও দারোগা রুবেল দৌড়ে একটি ওষুধের দোকানে গিয়ে আশ্রয় নেন এবং ভেতর থেকে দোকানের সাঁটার আটকে দেন। এ সময় উত্তেজিত গ্রামবাসী দারোগাকে বাইরে আনার জন্য সাঁটার ভাঙার চেষ্টা করে এবং তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরবর্তীতে থানার ওসিকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানানো হলে অতিরিক্ত পুলিশ এসে দারোগা রুবেলকে উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে দারোগা রুবেল মিয়া বলেন, ভুল ইনফরমেশনের কারণে ওকে (লালনকে) শুধু জিজ্ঞাসাবাদ করছিলাম, মারধর করিনি। অথচ এ সময় গ্রামের লোকজন আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে।
