গত ১৬ নভেম্বর দৈনিক ইত্তেফাকে ‘এক বাড়ি নিয়েই ৪৬ মামলা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন রাজারবাগ দরবার শরীফের পীর মুহম্মদ দিল্লুর রহমানের মুরিদ ১০৭, শান্তিবাগ বাসিন্দা কমরের নেহার। এক প্রতিবাদ লিপিতে তিনি দাবি করেছেন, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রাজারবাগ দরবার শরীফ পরিচালিত মুহম্মদীয়া জমিয়া শরীফ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করতে তিনি জমি দিয়েছেন। মাদ্রাসার নামে জমি না লিখে দেওয়ার জন্য তার দ্বিতীয় সন্তান একরামুল আহসান কাঞ্চন ও তার স্ত্রী তামান্না বাধা দেয়। মাদ্রাসায় জমি দান থেকে বিরত রাখতে পারবে না—বুঝতে পেরে ২০০৯ সালে অন্য এক মহিলাকে নিজের মা সাজিয়ে গোপনে জাল দলিল করে কাঞ্চন। রাজারবাগ পীর সাহেবকে জমি লিখে দিয়েছি বা তার মেয়ের বিয়েতে ৪০ ভরির স্বর্ণালংকার দিয়েছি—এমন খবরের কোনো ভিত্তি নেই।
প্রতিবেদকের বক্তব্য
দীর্ঘ ১০ বছর ধরে কমরের নেহারের দ্বিতীয় সন্তান একরামুল আহসান কাঞ্চন কারাবন্দী রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ৪৬টি মামলার বেশির ভাগ বাদীরা রাজারবাগ দরবার শরীফের পীর সৈয়দ দিল্লুর রহমানের মুরিদ। কারাবন্দী কাঞ্চনের স্ত্রী তামান্না বেগমই পীরের মুরিদ কমরের নেহারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। ৪৬টি মামলার মধ্যে একটি মামলার বাদী স্বয়ং পীরসাহেব মুহম্মদ দিল্লুর রহমান। এই মামলায় পীর সাহেব তার তিন ভাই জিল্লুর রহমান, আনিসুর রহমান ও হাফিজুর রহমান এবং একরামুল আহসান কাঞ্চনকে আসামি করেছেন। এসব তথ্য দিয়ে রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়েছে।
