সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা
নীলফামারীতে এ বছর পেঁয়াজের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। জেলার ছয় উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ আবাদ হয়েছে নীলফামারী সদরে।
নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার ছয়টি উপজেলার মধ্যে সদরে ৫০০, ডোমারে ২৫১, ডিমলায় ২৮২, জলঢাকায় ২১১, কিশোরগঞ্জে ১৫০ ও সৈয়দপুরে ছয় হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।
জেলা সদরের গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোবাডাঙ্গ গ্রামের পেঁয়াজ চাষি সাইদুল ইসলাম জানান, যদি আবহাওয়া ভালো থাকে, তাহলে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হবে। আর সপ্তাহ খানেক পর পরিপক্ব পেঁয়াজ বাজারে তোলা যাবে।
একই গ্রামের পেঁয়াজ চাষি নূহ মিয়া জানান, এবার তিনি ৪০ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। আর এতে বীজ, সার, সেচ, হাল, নিড়ানি ও পেঁয়াজ তোলাসহ খরচ হবে প্রায় ৪০ হাজার টাকা। পেঁয়াজ বিক্রি হবে প্রায় ১ লাখ টাকার।
সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর পেঁয়াজের উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। গত বছর জেলায় বন্যার কারণে আশানুরূপ পেঁয়াজ ঘরে তুলতে পারেননি কৃষকরা।
নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, এ বছর নীলফামারী জেলায় কাটা (কন্দ) পেঁয়াজের আগাম চাষ হয়েছে ২১৭ হেক্টর জমিতে। আর এই জমি থেকে আগাম পাতা পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবে প্রায় ১৩ হাজার মেট্রিক টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার পেঁয়াজের বাম্পার ফলন পাবে কৃষক। আশা করি পেঁয়াজ চাষে কৃষক লাভবান হবে।
