বিআরটিএ রাজশাহী জোন অফিসে উপচে পড়া ভিড়

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৯, ২১:৩৬

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী

নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের ঘোষণার পর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) রাজশাহী জোন অফিসে ভিড় বেড়েছে। গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষা, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশনের আবেদন জমা ও পরীক্ষার জন্য আসা লোকজনকে সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন রাজশাহী বিআরটিএর কর্মকর্তারা।

সম্প্রতি নগরীর নওদাপাড়ার বিআরটিএ ভবনে সরেজমিনে দেখা গেছে, পুরো প্রাঙ্গণ জুড়েই যানবাহন। সবচেয়ে বেশি মোটরসাইকেল। বাস এবং ট্রাকসহ অন্য যানবাহন তো রয়েছেই। এছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশনের আবেদন, ড্রাইভিং পরীক্ষা, গাড়ির কাগজপত্র ও ফিটনেস পরীক্ষার জন্য হাজারো মানুষের ভিড়। আবার প্রস্তুত রেজিস্ট্রেশন প্লেট, ট্যাক্স টোকেন, ব্লু বুক ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে গিয়েছেন অনেকে।

নগরীর বড়বাড়িয়ার সাদিকুল ইসলাম এসেছেন ড্রাইভিং পরীক্ষা দিতে। একই কাজে এসেছেন কাঁকনহাটের কবির হোসেন কনক ও নওদাপাড়ার জিয়াউর রহমান। মোটরসাইকেল দেখাতে এসেছেন বাগমারার মেজবাহ উদ্দিন লিটন। মোটরসাইকেল কেনার দুই বছর পর রেজিস্ট্রেশন করাতে এসেছেন তানোরের চাঁন্দুড়িয়ার তরুণ রায়। ড্রাইভিং লাইসেন্সেরও আবেদন করেছেন তিনি।

বিআরটিএর পরিদর্শক শাহজামান হক বলেন, আগে দিনে ১০০ থেকে ১২০টি গাড়ি চেক করতে হতো। কিন্তু এখন দিনে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি চেক করতে হচ্ছে। সরকারি গাড়ি, প্রাইভেট গাড়ি ও গণপরিবহনের মালিকরা আসছেন যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষা করাতে। আগের তুলনায় ফিটনেস পরীক্ষা তিন থেকে চার গুণ বেড়েছে।

সহকারী পরিচালক এ এম এস কামরুল হাসান বলেন, জনগণ যেভাবে বিআরটিএতে আসছে, এটা ভালো দিক। নতুন আইনের প্রভাব পড়েছে মালিক-চালকদের মধ্যে। তারা এখন সচেতন হচ্ছেন। তবে কম জনবল নিয়ে ভিড় সামলাতে তাদেরও হিমশিম খেতে হচ্ছে।