অনুমতি ছাড়া বিএনপির সমাবেশ করার ঘোষণা হাস্যকর :কাদের

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০১৯, ০০:১৯

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, সভা-সমাবেশ করতে হলে পুলিশসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই করতে হবে। অনুমতি না নিয়েই বিএনপির সভা-সমাবেশ করার ঘোষণা হাস্যকর। নিয়ম কানুন বিসর্জন দিয়ে কিছু করা যাবে না।  গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরো বলেন, অনুমতি না নিয়ে সভা-সমাবেশ করার সাহস, শক্তি বা সক্ষমতা কোনোটিই বিএনপির নেই।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নেতারা তাদের নেত্রীকে কারাগার       থেকে মুক্ত করতে ৫০০ কর্মী নিয়ে একটি মিছিল-মিটিং করতে পারেনি। তারা কীভাবে অনুমতি না নিয়ে সভা-সমাবেশ করবে? আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম, তখন আমরাও অনুমতি না নিয়ে সভা-সমাবেশ করতে পারিনি।’ নতুন সড়ক পরিবহন আইনের সহনীয় প্রয়োগ করা হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আইনের প্রয়োগে যতটা সহনীয়ভাবে করা যায় সেটা চেষ্টা করব। বাস্তবতার নিরিখে কিছুটা রয়ে সয়ে চলতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক আইনের বিষয়টি নিয়ে সমস্যা সমাধানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিবহন নেতাদের সঙ্গে তিনি যখন বৈঠক করেছেন আমার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। যদি যাচাই-বাছাই করে সংশোধনের কোনো বাস্তবসম্মত, যুক্তিসংগত ও ন্যায়সংগত কোনো বিষয় থাকে সেটা অবশ্যই বিবেচনা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও বিষয়টি আলোচনা করব। বিআরটিএর জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দ্রুত জনবল সংকটের সমাধান হবে। দক্ষ চালক সৃষ্টিতে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।

শ্রমিকদের সরকার যে ছয় মাসের সময় দিয়েছে এর মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন, নতুন লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘বিআরটিএ ওভারটাইম কাজ করছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় অধিক জনবল দেওয়ার জন্য কাজ করছে। ভারি যানবাহন চালানোর মতো প্রশিক্ষিত চালক তৈরির কাজ চলছে। চালক তৈরির কাজ আমরা আরো প্রসারিত করেছি।’ ভিন্ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চালের সংকট নাই, পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত আছে। আর এরই মধ্যে ৮২ হাজার টন পেঁয়াজ এসেছে। অচিরেই দাম কমে যাবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে।