জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের আমির বা প্রধান হিসেবে ২০১৭ সাল থেকে দায়িত্বে ছিলেন মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক সালাউদ্দীন সালেহীন। তিনি দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর আমিরের দায়িত্ব পান খোরশেদ আলম জিয়া। বগুড়া জেলা পুলিশের হাতে খোরশেদ নিহত হওয়ার পর আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আবু রায়হান ওরফে মাহমুদ ওরফে আবদুল হাদী। আবু রায়হান আমির হওয়ার পর সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার জন্য কর্মী রিক্রুটিং ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেন। এজন্য কক্সবাজারের পাহাড়ে জমি কিনে মাদ্রাসা তৈরি করেন। সেখানে যাওয়ার সময় রবিবার রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা রাজধানীর ভাটারার সাইদনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন। এ সময় তার দুই সহযোগী জেএমবির নেতা হাবিবুর রহমান ওরফে চাঁন মিয়া ও রাজিবুর রহমান ওরফে রাজিব ওরফে সাগরকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘হাবিবুর রহমান ওরফে চাঁন মিয়া (৩৭) জেএমবির ইসাবা গ্রুপের প্রধান হিসেবে সংগঠন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি করেন। ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ রাজধানীর দক্ষিণখান থানার এক পিরের বাসায় ডাকাতির সময় হাতেনাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া মুন্সীগঞ্জে শাহজাহান বাচ্চু হত্যাকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। জেএমবির অপর নেতা রাজিবুর রহমান ওরফে রাজিব ওরফে সাগরের বাড়ি রাজধানী ঢাকার বাইরে। যে বাড়িতে জেএমবির নেতারা গোপন বৈঠক করতেন বলে জানতে পেরেছি।’
