চাঁদার টাকা

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:০১

মুস্তাফা মাসুদ

 

বস্তা-বোঝাই চাঁদার টাকা রাত-দুপুরে ভাগ করিস,

থলের বিড়াল বেরিয়ে গেলে উলটো আবার রাগ করিস!

উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে ভালোর ভান করিস,

চোখে রঙিন চশমা পরে ভিন্ন-সুরে গান ধরিস!

লক্ষ-কোটি এসব টাকার মালিক কারা, খোঁজ রাখিস—

যাদের ত্যাগে দুচোখ ভরে স্বপ্ন-ছবি রোজ আঁকিস?

তারাই দেশের আমজনতা, ওদের শ্রম আর রক্ত-ঘাম

সব টাকাতেই আছে লেগে—ক্যাম্নে তাদের শুধবি দাম!

তারা তো সব তোদের স্বজন—চাচা খালু নয়তো ভাই,

তাদের শ্রমের ফসল নিয়ে কাণ্ড একি যাচ্ছেতাই?

হারাম টাকায় গাড়ি-বাড়ি, রাজার হালে দিন-যাপন,

একটিবারও কাঁপে না কি বুকের খাঁচায় বন্দি মন?

 

কিন্তু জাদু, ফিনিশ মধু—আর পাবি না কোনোই ছাড়,

ন্যায়নীতি আর বোধের ফাঁসে আটকে গেছে তোদের ঘাড়।

দিকে দিকে তার আলামত দ্যাখ চেয়ে দ্যাখ চোখ মেলে,

নতুন দিনের শুদ্ধহাসি অমল শোভায় ঢেউ খেলে!

চাঁদাবাজ আর ঘুষখোরেরা সেই ঢেউয়ে সব যাক ভেসে,

কঠিন-কঠোর বিধির গিঁটে ওই ঘুঘুরা যাক ফেঁসে।