বায়ুদূষণ রোধ জরুরি

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০১৯, ২২:১০

পত্রিকায় প্রকাশ, দেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ শিশু দূষিত বাতাসে জন্ম নিচ্ছে। তার মানে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। গতকাল দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘বায়ুদূষণে দিল্লিকে ছাড়িয়ে এক নম্বরে ঢাকা’। বায়ুদূষণ মূলত অপরিকল্পিত নগরায়ন, ইটভাটার অবাধ বিস্তার, যানবাহন এবং রান্নার ধোঁয়ার কারণে হয়ে থাকে। বায়ুদূষণের ফলে আমরা প্রতিনিয়ত দূষিত বাতাসের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ভারী ধাতু, নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড, ওজোন এবং আরো কিছু ক্ষুদ্র রাসায়নিক (পার্টিকুলেট ম্যাটার) গ্রহণ করছি নিঃশ্বাসের সঙ্গে। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ। দূষিত বায়ু গ্রহণের দরুন আমাদের ফুসফুসের রোগ বাড়ছে। অকালে শিশুর জন্ম, শ্বাসজনিত সমস্যা, হূদরোগ, চোখমুখ জ্বালাপোড়া, মাথাব্যথা, মানসিক অবসাদগ্রস্থতা—সমস্যাগুলো প্রকট আকার ধারণ করছে। গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, বায়ুদূষণ ব্রেন ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। এখনই উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে অচিরেই দূষিত বাতাস বাংলাদেশের মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দেবে। তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ—এই বিষয়ে আশু ব্যবস্থা নিন। নির্মল বায়ু যেমন আমাদের জীবনের জন্য অপরিহার্য, তেমনি এটি প্রাপ্তি আমাদের অধিকার।

মো. বিল্লাল হোসেন

শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া