আজ
বিকালে
অনুশীলন
শুরু
স্পোর্টস রিপোর্টার
ঢাকায় এখনো শীতের চাদর পড়েনি। গায়ে এখনো শীত মাখেনি। ফুটবলাররা নেপালে গিয়ে সন্ধ্যায় বুঝলেন কাঠমান্ডুতে এখন শীত কতটা। নেপালের আবহওয়া খুব ঠান্ডা। শীতের হিম হিম ভাবটা অনেক আগেই হানা দিয়েছে সেখানে। এখন বাতাসটা খুব গায়ে লাগে। এসএ গেমস ফুটবলে খেলতে যাওয়া খেলোয়াড়রা মজাও পাচ্ছেন এমন আবহাওয়ায়। সেই সঙ্গে মানসিক প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছেন আজ সকাল হতেই অনুশীলনে ঝাঁপাবেন তারা।
গতকাল বিকালে কাঠমান্ডু পৌঁছেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব—২৩ ফুটবল দল। ম্যানেজার সত্যজিত্ দাস রুপু দল নিয়ে নেপালে গিয়েছেন। এবার গেমসে যাওয়ার আগে দলীয় ছাতার নিচে একবারও ফুটবলে লাথি পড়েনি খেলোয়াড়দের। পুরো দল হয়ে অনুশীলন হয়নি। সরাসরি বিমানে উঠেছেন খেলোয়াড়রা। ন্যাশনাল টিম ম্যানেজমেন্ট কমিটি আরেকটু সচেতন হলে ঢাকায় অনুশীলনটা করতে পারত ফুটবলাররা। কিন্তু বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড় না ছাড়ায়, দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। যাই হোক সব ঝামেলা উতরে গিয়ে নেপালে অনুশীলনে মনযোগী ফুটবল দল।
রবিবার স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের গ্রুপের প্রথম ম্যাচ। তার আগে বাংলাদেশ ফুটবল দল তিন দিন অনুশীলনের সময় পাচ্ছে সেখানে। আজ থেকে সেই সময়টা শুরু হচ্ছে। সবচেয়ে বড়ো কথা হচ্ছে এই তিনদিন ফুটবল দলের জন্য কঠিন সময়। কারণ হাতে সময় কম, প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত না হলেও দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে এক সেকেন্ড সময় নষ্ট করতে চান না। বাফুফে জানিয়েছে আজ সকালে জেমি ইংল্যান্ড হতে কাঠমান্ডু পৌঁছাবেন। বিকালে অনুশীলন শুরু করবেন। জেমি না থাকলেও সকালের সেশনে অনুশীলন থাকবে। জেমির সহকারী আছেন দলের সঙ্গে। জেমি বেশ কিছু প্রেসক্রিপশন দিয়ে রেখেছেন। কীভাবে অনুশীলন করানো হবে। আর তা ছাড়া জেমি নিজেও নেপাল সম্পর্কে খোঁজ রাখছেন। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় কারা, খেলার ধরনটা কী, তা নিয়ে এরই মধ্যে কাজটা সেরে রেখেছেন বলে জানিয়েছিলেন ম্যানেজার রুপু।
খেলোয়াড়দের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ এসএ গেমস ফুটবল। প্রথম তিন দিনের অনুশীলনে কোচ মাঠে যতটা কাজ করাবেন তার চেয়েও টেবিলে কথা বলবেন। ভিডিও দেখাবেন, ছক তৈরি করেন যার যার দায়িত্ব তুলে দেবেন। খেলোয়াড়রা সেটা মাঠে কাজে লাগিয়ে ফায়দা তুলবেন—এমন বিশ্বাস কোচদের। নাবীব নেওয়াজ জীবন, সুফিল, বিপলু, রবিউল, ইয়াসিন, রহমত মিয়া, ইব্রাহিমদের কাজটা হচ্ছে জেমির পরিকল্পনা কাজে লাগানো। ভূমিকম্পের পর নতুন করে গড়ে তোলা দশরথের মাঠে আগামী রবিবার এক ইঞ্চি জায়গা ফাঁকা থাকবে না, সেটা নিশ্চিত। কারণ, ফুটবল লড়াইয়ে ভারত-বাংলাদেশের প্রতি যেমন বাড়তি আকর্ষণ থাকবে, তেমনি বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচ নিয়েও খোদ নেপালের মাঠে অনেক বেশি আকর্ষণ তৈরি হয়। ধুন্ধুমার লড়াই দেখতে ভিড় জমায় দর্শকরা।
