তরীকুল হাসান, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা
পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সার্জারি, অ্যানেসথেসিয়া এবং গাইনি ডাক্তার না থাকায় ৯ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে অপারেশন থিয়েটার (ওটি)। এতে ধুলাবালি আর মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে যন্ত্রপাতি। সার্জারি ও গাইনি রোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবা থেকে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চাশ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালে ২০১১ সালে উন্নত যন্ত্রপাতি দিয়ে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার স্থাপন করা হয়। কিন্তু সার্জন, গাইনি কনসালটেন্ট ও অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তারের অভাবে চালু হয়নি। এছাড়াও সার্বক্ষণিক বিদ্যুত্ ব্যবস্থা নেই এখানে। ফলে বাধ্য হয়ে রোগীদের প্রাইভেট ক্লিনিক কিংবা জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে দৌড়াতে হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বছরের পর বছর অপারেশন থিয়েটার বন্ধ থাকায় অটোক্লেব মেশিন, অ্যানেসথেসিয়া মেশিন, ডেলিভারি টেবিল, ডায়াথার্মি মেশিন, ওটি টেবিল, ওটি লাইট, সার্জারি যন্ত্রপাতি অযত্নে ধুলাবালি আর মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জমির মো. হাসিবুর ছাত্তার জানান, যন্ত্রপাতি থাকলেও প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও অ্যানেসথেসিস্টের অভাবে অপারেশন থিয়েটার চালু করতে পারছি না। তবে অপারেশন থিয়েটার (ওটি) চালু করার জন্য আন্তরিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
কিশোরগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কনসালটেন্ট পাওয়া সময়ের ব্যাপার। তবে নতুন বিসিএস হলে কয়েকজন মেডিক্যাল অফিসার দেওয়া যাবে।
