দেখতে দেখতে আট বছর পার করছে স্কুলটি। ছিল টিনের ঘর, এখন তা পরিণত হয়েছে তিন কক্ষবিশিষ্ট ৬০ ফুট লম্বা পাকা দালানে। স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪২। পাঠদানের পাশাপাশি স্কুল আঙিনায় তৈরি করা হয়েছে শিশুদের বিনোদনে দোলনাসহ কয়েকটি রাইডস। স্কুলটি ছিল হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় নিহত পুলিশ কর্মকর্তা রবিউলের স্বপ্ন। এ স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করেছে বিদেশি সংস্থা এসএসটিএস।এসি রবিউলের মৃত্যুর পর অনেকেই ভেবেছিলেন বিশেষায়িত স্কুল ‘ব্লুমস’-এর কার্যক্রম থমকে যাবে। কিন্তু পরিবারের সদস্যদের চেষ্টা ও বিভিন্ন জনের সার্বিক সহযোগিতায় ভালোভাবেই পরিচালিত হচ্ছে স্কুলটি। আলো ছড়াচ্ছে প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে।
সেখানে এখন পড়ালেখার পাশাপাশি সেলাই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, হাতে নেওয়া হয়েছে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিউটি পার্লার প্রশিক্ষণ। রবিউলের দেখানো পথে নিরলসভাবে হেঁটে যাচ্ছেন বন্ধুসুলভ চাচা পরিচালক (প্রশাসন) ও প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম, ভাই সামসুজ্জামান সামস্, রবিউলের স্ত্রী উম্মে সালমা। স্কুলটির কলেবর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যয়ও বেড়েছে। প্রতি মাসে শিক্ষার্থীদের খাবারের জোগার, শিক্ষকদের বেতন ও আনুষঙ্গিক মিলিয়ে ব্যয় হয় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। এর বেশির ভাগই জোগান দেন রবিউলের ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব আর ব্লুমসের সদস্যরা। বাকিটা আসে স্থানীয়দের কাছ থেকে। রবিউলের স্ত্রী উম্মে সালমা জানান, তিনি এই প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে তার স্বামীর স্বপ্ন খুঁজে বেড়ান।
