এবার ভারত ছাড়াই ফুটবল ফিকশ্চার

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০১৯, ২১:৫২

এসএ গেমস ফুটবল ২ ডিসেম্বর শুরু

স্পোর্টস রিপোর্টার

প্রথমবার ভারতকে নিয়েই এসএ গেমস ফুটবলের ফিকশ্চার ঘোষণা করেছিল নেপাল। ভারত তারপরও বলে আসছিল তারা গেমস ফুটবলে খেলবে না। তারপরও নেপাল ফুটবল ড্র আয়োজন করে ফিকশ্চার ঘোষণা করে গত ২১ নভেম্বর। ফুটবল নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। বিওএর সংবাদ সম্মেলনেও প্রশ্ন উঠেছিল ভারত থাকবে কি থাকবে না। ফুটবল দলের কোচ জেমি ডে বলছিলেন ভারত না থাকলেও শক্ত প্রতিপক্ষ আছে এসএ গেমসে। এক সপ্তাহের মধ্যেই আবার নতুন করে ফুটবল ফিকশ্চার ঘোষণা করা হয়েছে গতকাল। এবার ভারতকে ছাড়াই দ্বিতীয়বার ফিকশ্চার ঘোষণা করল নেপাল ফুটবল সংস্থা। ভারতকে বাদ দেওয়ায় গেমস ফুটবলে দল দাঁড়িয়েছে পাঁচটি। যে কারণে গ্রুপিং পদ্ধতি বাদ দিয়ে লিগ পদ্ধতি করা হয়েছে। তাতে ম্যাচ বেড়ে গিয়েছে। গ্রুপিংয়ে তিন দল ছিল এক গ্রুপে। এখন লিগ ম্যাচ হওয়ায় পাঁচ দলের লড়াইয়ে প্রতিটি দল চারটি করে ম্যাচ খেলবে। সর্বোচ্চ দুই দল ফাইনাল খেলবে। ১৩তম এসএ গেমসের উদ্বোধন ১ ডিসেম্বর। সেই দিনই দশরথের মাঠে ফুটবল শুরু হওয়ার কথা ছিল। গতকাল যে ফিকশ্চার ঘোষণা করা হয়েছে তাতে ১ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ২ ডিসেম্বর ফুটবল মাঠে গড়াবে। ১০ ডিসেম্বর গেমসের সমাপনী দিনে ফাইনাল।

সবই ঠিক আছে। তবে নেপাল ফুটবল সংস্থা অদ্ভুত নিয়মে ফিকশ্চার ঘোষণা করেছে। প্রথমবার ঘোষিত ফিকশ্চারে বাংলাদেশকে উদ্বোধনী খেলায় রেখে নেপালকে প্রতিপক্ষ করেছি। সেখান থেকে সরে এসে ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে উদ্বোধনী ম্যাচে রাখা হয়েছে। আর নেপাল নিজেদের ম্যাচ রেখেছে একদিন পর। অবিশ্বাস্য কথা হচ্ছে একদিন ম্যাচ খেলে পরদিনই আবার ম্যাচ রাখা হয়েছে ফিকশ্চারে। ফুটবলে এমন অদ্ভুত ফিকশ্চারের দেখা পাওয়া কঠিন। হকিতে হয়, আজ ম্যাচ খেলে আগামীকাল দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে হবে। কিন্তু ফুটবলে এমন ফিকশ্চার শোনা যায় না।

২ ডিসেম্বর দিনের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ও ভুটান এবং দ্বিতীয় ম্যাচে মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা মুখোমুখি হবে। পরদিন ৩ ডিসেম্বর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে মালদ্বীপের বিপক্ষে।  ভুটানকেও দ্বিতীয় দিন মাঠে নামতে হবে নেপালের বিপক্ষে। এটি নেপালের প্রথম ম্যাচ। একদিন পরই নেপালও দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে। ঘোষিত ফিকশ্চারে ১ নম্বরে নেপাল, দ্বিতীয় বাংলাদেশ, তৃতীয় মালদ্বীপ, চতুর্থ শ্রীলঙ্কা এবং পঞ্চম স্থানে ভুটানকে রাখা হয়েছে। যদি তাই হয় তাহলে প্রথম ম্যাচে নেপালের প্রতিপক্ষ ভুটান। বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। এখানে সমন্বয় নেই। আসলে এসএ গেমস নিয়ে আগের সেই আকর্ষণ নেই। ভারত এসএ গেমস ছাড়িয়ে অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস নিয়ে ভাবে। ফুটবলের মতো শক্তিশালী দল হয়েও এবং স্বর্ণপদক পাবার সম্ভাবনা থাকার পরও ভারত গেমস ফুটবলে খেলতে রাজি না। তারা এশিয়ান ফুটবল নিয়ে ভাবছে। আর বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং ভুটানই হচ্ছে গেমস ফুটবলের ভরসা। পাকিস্তান তো আগেই ফুটবলে নাম এন্ট্রি করেনি।

এসএ গেমস ফুটবলে

নতুন ফিকশ্চার

২ ডিসেম্বর       বাংলাদেশ ও ভুটান

                     মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা

৩ ডিসেম্বর       নেপাল ও ভুটান

                     বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ

৪ ডিসেম্বর       নেপাল ও শ্রীলঙ্কা

৫ ডিসেম্বর       ভুটান ও মালদ্বীপ

                     বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা

৬ ডিসেম্বর       নেপাল ও মালদ্বীপ

৭ ডিসেম্বর       শ্রীলঙ্কা ও ভুটান

৮ ডিসেম্বর       নেপাল ও বাংলাদেশ

১০ ডিসেম্বর     ফাইনাল

সবকয়টি ম্যাচ কাঠমান্ডুর

দশরথ স্টেডিয়ামে হবে।