সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি
ইত্তেফাক রিপোর্ট
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবিলায় দূষণকারী দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অর্থ প্রদানে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। বরং বিভিন্ন ধরনের দীর্ঘসূত্রতা ও জটিলতা সৃষ্টির পাশাপাশি অর্থ প্রাপ্তির জন্য নতুন ধরনের শর্ত যেমন, বিমা ব্যবস্থা চালু করার মাধ্যমে নতুন ধরনের ঋণের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই জলবায়ু অর্থায়ন অবশ্যই উন্নয়ন সহায়তার ‘অতিরিক্ত’ ও ‘নতুন’ এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে আসতে হবে। আসন্ন কপ-২৫ সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান কী হতে পারে তা তুলে ধরতে গতকাল টিআইবির ধানমন্ডির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ‘ক্ষয়ক্ষতি’ মোকাবিলায় ‘ওয়ারশো ইন্টারন্যাশনাল মেকানিজম’ এর চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে মেকানিজমটি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং শুদ্ধাচার নিশ্চিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল তথা সরকারের নিকট আসন্ন কপ-২৫ এ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপস্থাপনের জন্য প্রস্তাব করেছে টিআইবি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপদেষ্টা-নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের প্রমুখ। শুরুতেই টিআইবির জাকির হোসেন খান এবং মাহফুজুল হক বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়নে অনিশ্চয়তা, সবুজ জলবায়ু তহবিলের চ্যালেঞ্জসমূহ, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসারণ হ্রাসে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি এবং কয়লা বিদ্যুত্ প্রকল্প স্থাপন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষয়ক্ষতি এবং তা মোকাবিলায় পদক্ষেপসহ আসন্ন কপ-২৫ সম্মেলনে প্রত্যাশা তুলে ধরেন।
জিসিএফ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক তহবিল হতে প্রয়োজনীয় তহবিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যথাসময়ে ও সহজে সরবরাহ; ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ে বাংলাদেশসহ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সমন্বিতভাবে দাবি উপস্থাপন ও দর কষাকষিতে দক্ষতা প্রদর্শন করাসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে টিআইবি।
