নোয়াখালী পৌরসভার পশ্চিম মহদুরীপুর গ্রামে জেলা ডিবি পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ইব্রাহিম খলিল ভান্ডারি রুবেল (২৭) নামে তালিকাভুক্ত এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এর আগে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ডিবি পুলিশের একটি দল পূর্ব মহদুরীপুর গ্রাম থেকে ৬০টি ইয়াবা ট্যাবলয়েটসহ গ্রেফতার করে। রুবেল আইউবপুর গ্রামের আবুল কাশেম ভান্ডারির ছেলে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় জেলা ডিবির ওসিসহ পাঁচ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি এলজি, একটি পাইপগান, ছয়টি কার্তুজ, একটি চাইনিজ কুড়াল ও চারটি ধারালো দেশি অস্ত্র উদ্ধার করে। রুবেলের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও মাদক আইনে ১৬টি মামলা রয়েছে।
আহতরা হলেন ডিবির ওসি কামরুজ্জামান সিকদার, এসআই সাঈদ মিয়া, এসআাাই ওমর ফারুক, এএসআই মাসুদ আলম ও কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেনকে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওসিকে প্রাথমিক চিকিত্সার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। অপর চার জনকে জেলা পুলিশ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। জেলা ডিবির পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাকির হোসেন জানান গতকাল তাকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য ডিবিবর একটি দল অভিযানে যায়। এ সময় রুবেলের সহযোগী সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। পুলিশও ৩৫ রাউন্ড গুলি চালায়। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ রুবেলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা জানান, উপজেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিন জন পুলিশ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল হতে অস্ত্রসহ গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গতকাল ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি হ্নীলা উলুচামরীর মৃত হায়দর আলীর পুত্র মো. উল্লাহ ওরফে সোনা মিয়া (৪৫)। টেকনাফ মডেল থানার (ওসি) অপারেশন মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, দুই পক্ষের গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ অভিযানে গেলে দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিন জন পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও বুলেটসহ গুলিবিদ্ধ এক জনকে উদ্ধার করা হয়। সে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যায়।
০
