কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, যে কোনো পণ্যের মূল্য নির্ভর করে ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের ওপর অর্থাত্ কি পরিমাণ পণ্যের চাহিদা রয়েছে আর কি পরিমাণ পণ্যের সরবরাহ রয়েছে। গত বছর উত্পাদিত পেঁয়াজ ওঠানোর সময় বৃষ্টি হয়। ফলে কৃষক ঘরে পেঁয়াজ মজুদ করতে পারেনি। এতে পেঁয়াজের ঘাটতি দেখা দেয়। ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেবে আমরা বুঝতে পারেনি। এ কারণে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। র্যাব, পুলিশ, আর্মি দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তিনি বলেন, যেখানে দেশে পেঁয়াজের প্রয়োজন ২৫-২৬ লাখ টন সেখানে আমদানি হয় ২ হাজার টন, ৫০০ টন, ৩০০ টন। একটা প্লেনে আর কতটা পেঁয়াজ আমদানি করা যায়। বাজার নিয়ন্ত্রণের মূল শক্তি অর্থনীতির প্রাইমারি ফরমুলা অর্থাত্ চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করা। এ ক্ষেত্রে আমাদের আরো সজাগ ও সচেতন হতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে একটি কর্মশালায় যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। পরে মন্ত্রী বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা ২০১৮-১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কার্যক্রমের ওপর তথ্য চিত্র প্রদর্শন করেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. তমাললতা আদিত্য।
