আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার আসামিদের পর এবার বিভিন্ন সময় র্যাগিংয়ে জড়িত ২৬ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।
এর আগে আবরার হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের গত ২১ নভেম্বর স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে বুয়েট কর্তৃপক্ষ। সেদিন শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য আরো ছয়জনকেও বহিষ্কার করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার আরো ২৬ জনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হলো। এরা সোহরাওয়ার্দী ও আহসানউল্লাহ হলে র?্যাগিংয়ের ঘটনায় জড়িত ছিল।
২৬ জন শিক্ষার্থীকে একাডেমিক কার্যক্রম ও আবাসিক হল থেকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া চার জন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দিয়েছে বুয়েট প্রশাসন। বহিষ্কৃত ২৬ জনের মধ্যে ৯ জন শিক্ষার্থীকে হল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার এবং ১৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।
হল থেকে আজীবনের জন্য এবং একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কৃত ৯ শিক্ষার্থী হলেন- সব্যসাচী দাস দিব্য, সৌমিত্র লাহিড়ী, প্লাবন চৌধুরী, নাহিদ আহমেদ, অর্ণব চৌধুরী, মো. ফরহাদ হোসেন, মো. মোবাশ্বের হোসেন শান্ত, এ এস এম মাহাদী হাসান, আকিব হাসান রাকিব। এদের মধ্যে প্রথম ছয় জন আহসানউল্লাহ হলের এবং পরের তিন জন সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
বিভিন্ন মেয়াদে আবাসিক হল ও একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কৃত ১৭ শিক্ষার্থী হলেন—কাজী গোলাম কিবরিয়া রিফাত, মো. সাকিব হাসান, মো. সাজ্জাদুর রহমান, সাকিব শাহরিয়া, শেখ আসিফুর রহমান আকাশ, মো. রাইয়ান তাহসিন, মেহেদী হাসান, তৈয়ব হোসেন, এ এফ এম মাহফুজুল কবির, মো. বখতিয়ার মাহবুব মুরাদ, সৈয়দ শাহরিয়ার আলম প্রত্যয়, মো. তৌফিক হাসান, মো. কুতুবুজ্জামান কাজল, মোহাম্মদ তাহমিদুল ইসলাম, ফেরদৌস হাসান ফাহিম, মো. আল-আমিন ও তাহাজিবুল ইসলাম। এরা সবাই সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
এছাড়া ভবিষ্যতের জন্য আহসানউল্লাহ হলের চার শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে। তারা হলেন—মো. তাহসিন ফারহান ফাতিন, লোকমান হোসেন, শাফকাত বিন জাফর ও তানজিন রশিদ আবির।
