জীবননগর উপজেলা জুড়ে ২২টি ইটভাটা রয়েছে। এসব ইটভাটার মাটি ও ইটবাহী ট্রাক্টর ভোর থেকে রাত পর্যন্ত বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে দুর্ঘটনা। আর এতে প্রাণ দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সর্বশেষ গত ২৮ নভেম্বর শিশু জুনায়েদ (৫) ইটভাটার মাটিবাহী ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা ইটভাটার দুটি ট্রাক্টরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
ট্রাক্টর চালক উপজেলার বাঁকা গ্রামের আব্দুর রশীদ জানান, তাদেরকে ট্রিপপ্রতি কমিশন দেওয়া হয়। দিনে ১০ ট্রিপ মাল ক্যারি করতে না পারলে তাদের হাজিরা হয় না। ফলে দ্রুতগতিতে ট্রাক্টর চালাতে হয়।
উপজেলার রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ শাহ বলেন, ইটভাটার ট্রাক্টরের বিষয়ে প্রতিনিয়ত আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি ইটভাটার মালিকদের জানিয়ে সমাধান চেয়েছি। কিন্তু কোনো ফল পাইনি। বাধ্য হয়ে উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় একাধিকবার উত্থাপন করে প্রতিকার চেয়েছি।
সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিষয়টি দেখার জন্য পুলিশের প্রতি অনুরোধ করা হয়। কিন্তু কার্যত পুলিশ এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। যার কারণে ইটভাটার ট্রাক্টরগুলো বেপরোয়া গতিতে চলাচল অব্যাহত রেখেছে। আর এতে দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে।
