হলি আর্টিজান মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গির মাথায় আইএসের প্রতীকসংবলিত টুপি নিয়ে হাইকোর্ট বলেছে, পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে দেখলাম, পুলিশ বলছে কারাগার থেকে টুপি এসেছে। আর কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, বাইরে থেকে এসেছে। আদালত বলেন, এই টুপির বিষয়ে কেউ কিছু জানে না—তা হতে পারে না। তাহলে সরষের মধ্যে ভূত রয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এ মন্তব্য করেন।
সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না হাইকোর্টে বলেন, আমি অনেক দিন ধরেই আইএসের বিরুদ্ধে বলে আসছি। গত ২৭ নভেম্বর হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার মামলায় জঙ্গিদের ফাঁসির রায় দেওয়ার পর তাদের কয়েকজনের মাথায় আইএসের টুপি দেখা গেছে। এ ঘটনার পর আমি আমার জীবন নিয়ে হুমকির মধ্যে আছি। আমার নিরাপত্তা কী? তিনি বলেন, এই টুপি এলো কোথা থেকে? পুলিশ বলছে, কারাগার থেকে এসেছে। আর কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, বাইরে থেকে এসেছে। কেউ যদি জড়িত না থাকে তবে কি ‘ইবলিশ’ এসে দিয়ে গেছে? তিনি বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। আমি বলতে চাই, ছোটো বা বড়ো কর্মচারী হোক কেউ তো জড়িত। আমরা চাই না এই ঘটনায় আরেক জাহালম বা জজ মিয়া সৃষ্টি হোক। এ ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। আদালত বলেন, সরষের মধ্যে ভূত আছে। এ নিয়েই আমাদের চলতে হবে।
