বৃষ্টির দাপটের আগে জোড়া সেঞ্চুরি
স্পোর্টস ডেস্ক
হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে পঞ্চম দিনের মূল ঘটনা হলো দুটো। প্রথমে রস টেলর ও কেন উইলিয়ামস সেঞ্চুরি করলেন। এরপর শুরু হলো বৃষ্টি। আর সেটা এতটাই তীব্র ছিল যে, নতুন করে আর খেলাই মাঠে গড়াল না। ফলাফল, ড্র মেনে নিতে বাধ্য হলো নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড।
এর আগে ইনিংস ও ৬৫ রানের বিশাল ব্যবধানে জেতে নিউজিল্যান্ড। ফলে, দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড।
প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের ৩৭৫ রানের জবাবে অধিনায়ক জো রুটের ২২৬ ও ররি বার্নসের ১০১ রানের সুবাদে প্রথম ইনিংসে ৪৭৬ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। ফলে প্রথম ইনিংস থেকে ১০১ রানের লিড পায় ইংলিশরা। চতুর্থ দিন ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস শেষে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে নিউজিল্যান্ড। দিন শেষে ২ উইকেটে ৯৬ রান তুলে ব্ল্যাক ক্যাপরা। ফলে ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ৫ রানে পিছিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। উইলিয়ামসন ৩৭ ও টেইলর ৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন। ম্যাচের পঞ্চম ও শেষ দিন ব্যাট হাতে নিজেদের ইনিংস বড়ো করছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান উইলিয়ামসন ও টেলর। কোনো উইকেট না হারিয়েই ২৪২ অবধি যান এই দুই ব্যাটসম্যান। এরপরই নামে বৃষ্টি। তখন ছিল দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি পর্যায়।
উইলিয়ামসন ২৩৪ বলে ১০৪ ও টেইলর ১৮৬ বলে ১০৫ রানে অপরাজিত থাকেন। দুজনই সমান ১১টি করে চার মারেন। টেলরের ইনিংসে দুটি ছক্কাও ছিল। টানা দুই ছক্কা দিয়েই টেলর সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছান। এটা তার ১৯তম টেস্ট সেঞ্চুরি। একই দিনে আরেকটা কীর্তিও গড়েছেন তিনি। সাবেক অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের পর নিউজিল্যান্ডের হয়ে দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে সাত হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন ডান-হাতি এই ব্যাটসম্যান। ৯৬ টেস্টের ১৬৯তম ইনিংসে সাত হাজার রান করলেন টেইলর। আর ২০০৮ সালে ১১১ ম্যাচের ১৮৯ ইনিংসে ক্যারিয়ারে সাত হাজার রান পূর্ণ করেছিলেন ফ্লেমিং। প্রায় ১১ বছর পর টেস্ট ফরম্যাটে নিউজিল্যান্ডের কোনো ব্যাটসম্যান হিসেবে সাত হাজার রান করলেন টেইলর। ১৪ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে ৭১৭২ রান করেছেন তিনি। আর ১২ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত ৭০২২ রান করেছেন টেইলর। ফ্লেমিংয়ের সাথে টেইলরের রানের ব্যবধান এখন ১৫০ রান। দ্রুতই হয়তো ছাড়িয়ে যাবেন ফ্লেমিংকে। কারণ, চলতি মাসেই অস্ট্রেলিয়া সফরে যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড। সেখানে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে নিউজিল্যান্ড।
