মামলার তালিকা ওপর-নিচ করে কোটিপতি

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:৪৫

অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় হাইকোর্টের এফিডেভিট ও ফাইলিং শাখার ৩১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন গত দুই দিনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওই ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই দুটি শাখায় এখন সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য শাখার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এনে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। সরিয়ে দেওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে এফিডেভিট শাখার কমিশনার ও সুপারিনটেনডেন্ট রয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, যখনই কোনো প্রতিষ্ঠানে কোনো রকম দুর্নীতি ঢুকে যায়, তখন সেই দুর্নীতিরোধের জন্য কতগুলো পদক্ষেপ নিতে হয়। আমি মনে করি, এ বদলিগুলো তারই একটি অংশ। প্রধান বিচারপতি গতকালও বলেছেন, উনি কঠোরহস্তে এগুলোকে দমন করার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, অনিয়মের চিত্রগুলো কী, আমি বিভিন্ন সময়ে ওপেন কোর্টে প্রধান বিচারপতিকে অভ্যর্থনা দেওয়া হয় বলেছি। দুই জন বিচারপতির অভ্যর্থনায় অনুষ্ঠানে আমি বিস্তারিত বলেছি, সেগুলো আপনারা শুনেছেন। সেগুলো বারে বারে পুনরাবৃত্তি করতে চাই না।

প্রসঙ্গত, সোমবার এফিডেভিট ও ফাইলিং শাখার কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আপিল বিভাগে মামলার শুনানিকালে উষ্মা প্রকাশ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন শাখার অনিয়মের অভিযোগ ঠেকানোর জন্য সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। কিন্তু এখন দেখি  সিসি ক্যামেরা সম্বলিত কক্ষের বাইরে এসে এভিডেভিট করে। তখন অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অনেকেই মামলার তালিকা ওপর-নিচ করে কোটিপতি হয়ে গেছে।